লেবার পার্টির নেতা এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হলেন। আর সেই সঙ্গেই ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির অন্দরে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা ঘিরে জল্পনা শুরু হল ব্রিটেনে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের বিরোধী হিসাবেই দলের অন্দরে পরিচিত বার্নহাম। লেবার পার্টির অন্দরে তাঁর সমর্থক ও অনুগামীর সংখ্যাও বিপুল। ফলে তিনি অচিরেই প্রধানমন্ত্রীপদের দাবিদার হয়ে উঠতে পারেন বলে রাজনীতির কারবারিদের অনেকে মনে করছেন। উপনির্বাচনের ফল বলছে, মেকারফিল্ডের ভোটারদের প্রায় ৫৫ শতাংশ সমর্থন করেছেন বার্নহামকে! তিনি পেয়েছেন ২৪,৯৩৭টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কট্টর দক্ষিণপন্থী নেতা নাইজেল ফারাজের দল রিফর্ম ইউকে-র প্রার্থী রবার্ট কেনিয়ন। তাঁর ঝুলিতে গিয়েছে সাড়ে ৩৪ শতাংশ ভোট (১৫,৬৯৬টি ভোট)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ২০২৪ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনের তুলনায় ওই আসনে লেবার পার্টির ভোট এ বার প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়েছে!
উপনির্বাচনে ‘জয়ী’ হওয়ার পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বার্নহাম বলেন, ‘‘মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা উত্তরের জন্য আরও ক্ষমতার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা আশার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।’’ ‘কিং অব দ্য নর্থ’ (উত্তরের রাজা) হিসেবে পরিচিতি পাওয়া গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র বার্নহামের এই বক্তব্যকে প্রধানমন্ত্রিত্বের দাবিদার হওয়ার বার্তা বলেই মনে করছেন অনেকে। যদিও প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার শুক্রবার উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই অভিনন্দনবার্তা পাঠিয়েছেন বার্নহামকে। সম্প্রতি একটি জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, লেবার পার্টির সমর্থকদের মধ্যে ৫৬ বছর বয়সি বার্নহাম সবচেয়ে জনপ্রিয়। তুলনায় অনেক পিছিয়ে ৬৩ বছরের স্টার্মার। এমনকি, ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় বেশি জনপ্রিয়। গত মাসে পুরসভা ভোটে লেবার পার্টির খারাপ ফলের পরে পার্লামেন্ট সদস্যদের একাংশ প্রকাশ্যে স্টার্মারের ইস্তফা দাবি করেছিলেন। এ বার তা আরও জোরালো হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের বিরোধী হিসাবেই দলের অন্দরে পরিচিত বার্নহাম। লেবার পার্টির অন্দরে তাঁর সমর্থক ও অনুগামীর সংখ্যাও বিপুল। ফলে তিনি অচিরেই প্রধানমন্ত্রীপদের দাবিদার হয়ে উঠতে পারেন বলে রাজনীতির কারবারিদের অনেকে মনে করছেন। উপনির্বাচনের ফল বলছে, মেকারফিল্ডের ভোটারদের প্রায় ৫৫ শতাংশ সমর্থন করেছেন বার্নহামকে! তিনি পেয়েছেন ২৪,৯৩৭টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কট্টর দক্ষিণপন্থী নেতা নাইজেল ফারাজের দল রিফর্ম ইউকে-র প্রার্থী রবার্ট কেনিয়ন। তাঁর ঝুলিতে গিয়েছে সাড়ে ৩৪ শতাংশ ভোট (১৫,৬৯৬টি ভোট)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ২০২৪ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনের তুলনায় ওই আসনে লেবার পার্টির ভোট এ বার প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়েছে!
উপনির্বাচনে ‘জয়ী’ হওয়ার পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বার্নহাম বলেন, ‘‘মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা উত্তরের জন্য আরও ক্ষমতার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা আশার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।’’ ‘কিং অব দ্য নর্থ’ (উত্তরের রাজা) হিসেবে পরিচিতি পাওয়া গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র বার্নহামের এই বক্তব্যকে প্রধানমন্ত্রিত্বের দাবিদার হওয়ার বার্তা বলেই মনে করছেন অনেকে। যদিও প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার শুক্রবার উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই অভিনন্দনবার্তা পাঠিয়েছেন বার্নহামকে। সম্প্রতি একটি জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, লেবার পার্টির সমর্থকদের মধ্যে ৫৬ বছর বয়সি বার্নহাম সবচেয়ে জনপ্রিয়। তুলনায় অনেক পিছিয়ে ৬৩ বছরের স্টার্মার। এমনকি, ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় বেশি জনপ্রিয়। গত মাসে পুরসভা ভোটে লেবার পার্টির খারাপ ফলের পরে পার্লামেন্ট সদস্যদের একাংশ প্রকাশ্যে স্টার্মারের ইস্তফা দাবি করেছিলেন। এ বার তা আরও জোরালো হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।