রাজশাহীর পবা উপজেলার খোলাবোনা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ মেরাজুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
জানা যায়, গতকাল বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি খোলানোবা দাখিল মাদ্রাসা থেকে একটি প্রোজেক্টর চেয়েছিলেন। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মেরাজুল ইসলাম জানান, প্রোজেক্টরটি সরকারি সম্পদ হওয়ায় খেলা দেখার মতো ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা সমীচীন নয় এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ এভাবে ব্যবহারের সুযোগ নেই। পরে তারা প্রোজেক্টরটি নিয়ে গেলেও কিছুক্ষণ পর সেটি ফেরত দিয়ে বলেন, প্রোজেক্টর কিনে খেলা দেখতে পারলে দেখবেন, না হলে দেখবেন না।
আজ সকালে মোটরসাইকেলে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে মো. মেরাজুল ইসলামের সঙ্গে ওই আজাদ নামক ব্যক্তির সাথে দেখা হয়। শিক্ষক তাকে দেখে সালাম দিলে অভিযুক্ত আজাদ নামক ব্যক্তি তাকে থামতে বলেন। এরপর মাদ্রাসার জমি-সংক্রান্ত একটি বিরোধের বিষয় তুলে ধরে তিনি মাদ্রাসা নির্মানে ব্যবহ্রত ইট ও বালুর টাকা দাবি করেন। এ সময় মো. মেরাজুল ইসলাম জানান, তিনি এসব বিষয়ে সম্পৃক্ত নন এবং কেন তিনি ওই টাকা দেবেন,তিনি শিক্ষক মাত্র, এমন প্রশ্ন করতেই কোনো ধরনের কথাবার্তা ছাড়াই অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে কানের পাশে লক্ষ্য করে ৬-৭টি থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মারধরের ফলে গুরুতর ব্যথা অনুভব করলে শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনার প্রতিবাদে খোলানোবা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
জানা যায়, গতকাল বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি খোলানোবা দাখিল মাদ্রাসা থেকে একটি প্রোজেক্টর চেয়েছিলেন। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মেরাজুল ইসলাম জানান, প্রোজেক্টরটি সরকারি সম্পদ হওয়ায় খেলা দেখার মতো ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা সমীচীন নয় এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ এভাবে ব্যবহারের সুযোগ নেই। পরে তারা প্রোজেক্টরটি নিয়ে গেলেও কিছুক্ষণ পর সেটি ফেরত দিয়ে বলেন, প্রোজেক্টর কিনে খেলা দেখতে পারলে দেখবেন, না হলে দেখবেন না।
আজ সকালে মোটরসাইকেলে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে মো. মেরাজুল ইসলামের সঙ্গে ওই আজাদ নামক ব্যক্তির সাথে দেখা হয়। শিক্ষক তাকে দেখে সালাম দিলে অভিযুক্ত আজাদ নামক ব্যক্তি তাকে থামতে বলেন। এরপর মাদ্রাসার জমি-সংক্রান্ত একটি বিরোধের বিষয় তুলে ধরে তিনি মাদ্রাসা নির্মানে ব্যবহ্রত ইট ও বালুর টাকা দাবি করেন। এ সময় মো. মেরাজুল ইসলাম জানান, তিনি এসব বিষয়ে সম্পৃক্ত নন এবং কেন তিনি ওই টাকা দেবেন,তিনি শিক্ষক মাত্র, এমন প্রশ্ন করতেই কোনো ধরনের কথাবার্তা ছাড়াই অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে কানের পাশে লক্ষ্য করে ৬-৭টি থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মারধরের ফলে গুরুতর ব্যথা অনুভব করলে শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনার প্রতিবাদে খোলানোবা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।