পাবনার জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলে শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশীয় ফলের পরিচিতি ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফল উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ রঙিন ফলের সাজে সেজে ওঠে। শিক্ষার্থীরা দেশি-বিদেশি নানা রকমের ফল প্রদর্শন করে এবং ফলের পুষ্টিগুণ, বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। ছোট ছোট শিশুদের চোখে-মুখে ছিল উৎসাহ ও কৌতূহলের ঝিলিক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বন কর্মকর্তা (অব.) রোটা. মো. আলতাফ হোসেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দ্বীপচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান, পাবনার জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সভাপতি মোঃ হোসেন আলী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো. আব্দুস সাত্তার মৃধা প্রমূখ।
এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মহরম আলী, গ্রীন টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি আর কে আকাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আব্দুর রহমান, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ফিরোজ হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ আর অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. শুভেচ্ছা বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি আমরা শিশুর মানসিক বিকাশের দিক লক্ষ্য রাখছি| শিশু বয়সে আদব-কায়দা, সুন্দর আচরণ, ছোট ছোট ভালো অভ্যাস তৈরির দিকগুলো গুরুত্ব দিচ্ছি| আর দেশীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় ঘটানোর জন্য মধুমাস উদযাপন হিসেবে এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিশুরা বেশ আনন্দ পেয়েছে এই আয়োজনে।
শহরতলীর শিশুদের যুগোপযোগি ও মানসম্মত শিক্ষা দান নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন বিদ্যাৎসহী আব্দুল কাদের মিঠু| দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা অক্ষুন্ন রেখে
শিশুদের সঠিক মানসিক বিকাশে বিদ্যালয়টিতে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা হয়ে থাকে| এরই অংশ হিসেবে দেশীয় ফল নিয়ে মধুমাস উদযাপন
হিসেবে ফল উৎসবের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি ।
এসময় একাধিক অভিভাবক বলেন, “ফল উৎসবের মধ্য দিয়ে শিশুরা দেশীয় ফল চিনতে পারছে। শিশুদের দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে ধারণা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গাছ লাগানোর বিষয়েও ধারণা দিচ্ছে। এই আয়োজন আমাদের অনেক ভালো লেগেছে।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের মাঝে ফল পরিবেশন করা হয়। সকলেই এমন একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও শিক্ষামূলক আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এই ফল উৎসব শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা- যা তাদের মনোজগতে ফল ও পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফল উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ রঙিন ফলের সাজে সেজে ওঠে। শিক্ষার্থীরা দেশি-বিদেশি নানা রকমের ফল প্রদর্শন করে এবং ফলের পুষ্টিগুণ, বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। ছোট ছোট শিশুদের চোখে-মুখে ছিল উৎসাহ ও কৌতূহলের ঝিলিক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বন কর্মকর্তা (অব.) রোটা. মো. আলতাফ হোসেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দ্বীপচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান, পাবনার জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সভাপতি মোঃ হোসেন আলী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো. আব্দুস সাত্তার মৃধা প্রমূখ।
এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মহরম আলী, গ্রীন টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি আর কে আকাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আব্দুর রহমান, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ফিরোজ হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ আর অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. শুভেচ্ছা বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি আমরা শিশুর মানসিক বিকাশের দিক লক্ষ্য রাখছি| শিশু বয়সে আদব-কায়দা, সুন্দর আচরণ, ছোট ছোট ভালো অভ্যাস তৈরির দিকগুলো গুরুত্ব দিচ্ছি| আর দেশীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় ঘটানোর জন্য মধুমাস উদযাপন হিসেবে এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিশুরা বেশ আনন্দ পেয়েছে এই আয়োজনে।
শহরতলীর শিশুদের যুগোপযোগি ও মানসম্মত শিক্ষা দান নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন বিদ্যাৎসহী আব্দুল কাদের মিঠু| দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা অক্ষুন্ন রেখে
শিশুদের সঠিক মানসিক বিকাশে বিদ্যালয়টিতে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা হয়ে থাকে| এরই অংশ হিসেবে দেশীয় ফল নিয়ে মধুমাস উদযাপন
হিসেবে ফল উৎসবের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি ।
এসময় একাধিক অভিভাবক বলেন, “ফল উৎসবের মধ্য দিয়ে শিশুরা দেশীয় ফল চিনতে পারছে। শিশুদের দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে ধারণা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গাছ লাগানোর বিষয়েও ধারণা দিচ্ছে। এই আয়োজন আমাদের অনেক ভালো লেগেছে।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের মাঝে ফল পরিবেশন করা হয়। সকলেই এমন একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও শিক্ষামূলক আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এই ফল উৎসব শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা- যা তাদের মনোজগতে ফল ও পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে।