বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন রাজশাহী সফরকালে জেলার আম শিল্প, কৃষি সম্ভাবনা ও স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে চার সদস্যের সফরসঙ্গী নিয়ে তিনি রাজশাহীতে এসে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আমের বাজার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেন এবং আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এরআগে সকাল ৮টা ১৬ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রদূত ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। পরে সড়কপথে পুঠিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বর আম হাট হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির উদ্দেশে রওনা হন।
সকাল ৯টার দিকে বানেশ্বর আম হাটে পৌঁছে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ডসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কয়েক ধরনের আমের স্বাদ গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা তাঁকে রাজশাহীর আম উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানির সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। এর আগে ২০২০ সালে একবার এসেছিলাম। এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি, কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। এখানে এসে আমি সত্যিই আনন্দিত।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে আসায় কৃষিপণ্য উৎপাদনের স্থান পরিদর্শন এবং সেখানকার পণ্য সরাসরি উপভোগ করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
বাংলাদেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে অধিকাংশ সময় হিমায়িত আম পাওয়া যায়। রাজশাহীর মতো এত তাজা আম সেখানে সহজলভ্য নয়।
আম রপ্তানি সম্প্রসারণে উন্নত কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সংরক্ষণ ও রপ্তানি সুবিধা আরও উন্নত করা গেলে বাংলাদেশের আম আন্তর্জাতিক বাজারে বড় সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা আশা প্রকাশ করে বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত করতে এবং নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার সকালে চার সদস্যের সফরসঙ্গী নিয়ে তিনি রাজশাহীতে এসে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আমের বাজার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেন এবং আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এরআগে সকাল ৮টা ১৬ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রদূত ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। পরে সড়কপথে পুঠিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বর আম হাট হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির উদ্দেশে রওনা হন।
সকাল ৯টার দিকে বানেশ্বর আম হাটে পৌঁছে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ডসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কয়েক ধরনের আমের স্বাদ গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা তাঁকে রাজশাহীর আম উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানির সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। এর আগে ২০২০ সালে একবার এসেছিলাম। এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি, কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। এখানে এসে আমি সত্যিই আনন্দিত।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে আসায় কৃষিপণ্য উৎপাদনের স্থান পরিদর্শন এবং সেখানকার পণ্য সরাসরি উপভোগ করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
বাংলাদেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে অধিকাংশ সময় হিমায়িত আম পাওয়া যায়। রাজশাহীর মতো এত তাজা আম সেখানে সহজলভ্য নয়।
আম রপ্তানি সম্প্রসারণে উন্নত কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সংরক্ষণ ও রপ্তানি সুবিধা আরও উন্নত করা গেলে বাংলাদেশের আম আন্তর্জাতিক বাজারে বড় সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা আশা প্রকাশ করে বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত করতে এবং নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।