রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) হেডবিল্লী গ্রামে সম্পত্তির দখল নিয়ে বিবাদমান দুপক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,উপজেলার হেডবিল্লী মৌজায়, দাগ নম্বর ২৫১,পরিমাণ ৩ শতক, শ্রেণী ভিটা। ক্রয় সুত্রে এসব জমির মালিক হেডবিল্লী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র রাশেল রানা। কিন্ত্ত ওই জমির ওপর (খৈলান) দিয়ে রাস্তা করার ঘোষণা দিয়ে জবরদখলের চেস্টা করছে আলোচিত ভুমিগ্রাসী একই গ্রামের মৃত তফির উদ্দিনের পুত্র সুলতান আলী।
স্থানীয় বাসিন্দা রাশেল ও মতি অভিযোগ করে বলেন,আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জনৈক সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নেপথ্যে মদদে সুলতান জোরপূর্বক দবির উদ্দিন ও ইসলামের ফসলি জমি জবরদখল করে অর্থের বিনিময়ে প্রায় ১৫টি বসতি স্থাপন করেছেন। এখন সেখানে যাতায়াতের রাস্তার জন্য সিরাজুল ইসলামের কেনা জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।এদিকে জামাল উদ্দিন এক ইউপি চেয়ারম্যানকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।তার দাপটে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সুলতান আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,রাস্তার জায়গা সিরাজুল ইসলামের পরিবার দখল করে আছে তাই ওই জায়গা দিয়ে আমরা রাস্তা চেয়েছি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,উপজেলার হেডবিল্লী মৌজায়, দাগ নম্বর ২৫১,পরিমাণ ৩ শতক, শ্রেণী ভিটা। ক্রয় সুত্রে এসব জমির মালিক হেডবিল্লী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র রাশেল রানা। কিন্ত্ত ওই জমির ওপর (খৈলান) দিয়ে রাস্তা করার ঘোষণা দিয়ে জবরদখলের চেস্টা করছে আলোচিত ভুমিগ্রাসী একই গ্রামের মৃত তফির উদ্দিনের পুত্র সুলতান আলী।
স্থানীয় বাসিন্দা রাশেল ও মতি অভিযোগ করে বলেন,আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জনৈক সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নেপথ্যে মদদে সুলতান জোরপূর্বক দবির উদ্দিন ও ইসলামের ফসলি জমি জবরদখল করে অর্থের বিনিময়ে প্রায় ১৫টি বসতি স্থাপন করেছেন। এখন সেখানে যাতায়াতের রাস্তার জন্য সিরাজুল ইসলামের কেনা জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।এদিকে জামাল উদ্দিন এক ইউপি চেয়ারম্যানকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।তার দাপটে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সুলতান আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,রাস্তার জায়গা সিরাজুল ইসলামের পরিবার দখল করে আছে তাই ওই জায়গা দিয়ে আমরা রাস্তা চেয়েছি।