প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পৌর শহরের ডিসি পার্ক এলাকায় এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নেও পৃথকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সুমন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তাছলিমা খাতুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, “এক বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জেলায় প্রায় ৭ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং বর্তমানে প্রায় ২ লাখ গাছ রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং সামাজিক উদ্যোগকে সম্পৃক্ত করে ন্যূনতম ১০ লাখ গাছ রোপণের চেষ্টা করা হবে। আগামী জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই চলমান এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়নের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতেই এ বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সুমন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তাছলিমা খাতুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, “এক বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জেলায় প্রায় ৭ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং বর্তমানে প্রায় ২ লাখ গাছ রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং সামাজিক উদ্যোগকে সম্পৃক্ত করে ন্যূনতম ১০ লাখ গাছ রোপণের চেষ্টা করা হবে। আগামী জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই চলমান এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়নের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতেই এ বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।