‘ওয়াকা ওয়াকা’ থেকে ‘দাই দাই’— গান বদলালেও শাকিরা বদলান না। ১৬ বছর আগে, ২০১০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের থিম সং হিসাবে 'ওয়াকা ওয়াকা' গানটি বিখ্যাত হল যে বার, তিনি তখন ৩৩। ১৬ বছর পরে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চেও শাকিরাকে একই রকম দেখতে লাগল। শরীর ভারী হয়নি। বাহুতে, কোমরে, পেটে কিংবা ঊরুতে জমেনি কোনও বাড়তি মেদ। যেমনটা সাধারণ ক্ষেত্রে চল্লিশোত্তর মহিলাদের শরীরে দেখা যায়। সাড়ে ৪৯ বছর বয়সেও তিনি একই রকম নির্মেদ, ঝরঝরে আর টানটান চেহারার অধিকারী। পেটের পেশিগুলি এখনও সুগঠিত। তার কারণ কি কঠোর শরীরচর্চা? না, শুধু সেটুকু নয়। শাকিরার ফিটনেস প্রশিক্ষক অ্যানা কাইসার জানাচ্ছেন, খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারেও কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চলেন পপ তারকা। পঞ্চাশের দোরগোরায় পৌঁছেও যে তাঁর ত্রিশের যুবতীর মতো গড়ন, তার একটি বড় কারণ ওই নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়াও।
কী ভাবে খাওয়া দাওয়া করেন শাকিরা?
অ্যানা কাইসার জানাচ্ছেন, শাকিরা খাওয়াদাওয়ার রুটিনে মূলত তিনটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়— এক, কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন, দুই, খাবারে প্রোটিনের মাত্রা আর তা কখন খাওয়া হচ্ছে এবং তিন, খাবার কতটা সময় অন্তর খাওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ওই তৃতীয় বিষয়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন শাকিরার প্রশিক্ষক।
১। খাবারের ধরন: সব সময় পুষ্টিকর খাবার খান শাকিরা। এমন খাবার, যা শরীরের উপকারে লাগবে আর কোনও ক্ষতি করবে না। মূলত তাঁর সকাল শুরু হয় একটা অমলেট আর কিছু সবুজ শাক-সব্জি খেয়ে। দুপুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ স্যালাড খান আর রাতে খান সেদ্ধ করা সব্জি আর কিছু সহজপাচ্য হালকা প্রোটিন জাতীয় খাবার। সারা দিনে মাঝে মধ্যে যে ‘স্ন্যাক’ বা টুকটাক মুখচালানোর খাবার খান শাকিরা, তাতেও কোনও অস্বাস্থ্যকর খাবার থাকে না। ফল, গরম গরম বানানো স্যুপ, কোনও একটি বা দু’টি সব্জি, প্রোটিন স্মুদি বা প্রোটিন শেক, এই সমস্ত খান সারা দিনে।
২। খাবারের প্রোটিন: প্রোটিন খাওয়ার ব্যাপারে কিছু নিয়ম মেনে চলেন শাকিরা। প্রথম, তিনি শরীরচর্চা করার ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিন খান। কারণ, তাতে শরীর আরও ভাল ভাবে ফ্যাট ঝরায় এবং পেশি আরও শক্তিশালী হয়। দ্বিতীয়ত, শাকিরা প্রতি বারের মূল খাবার বা ‘মিল’-এর সঙ্গে বাধ্যতামূলক ভাবে প্রোটিন খান। তৃতীয়ত, সকালের দিকে ভারী প্রাণিজ প্রোটিন খেলেও রাতের দিকে সহজপাচ্য হালকা প্রোটিন নেন।
৩। খাওয়ার সময়: এই নিয়মটি শাকিরার ওজন বশে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন, তাঁর প্রশিক্ষক কাইসার। তিনি বলছেন, ‘‘শাকিরা এক বারে অনেকটা বেশি হয়তো খান না। কিন্তু সারা দিনে এনার্জি কমতেও দেন না। প্রতি ২-৩ ঘণ্টা অন্তর কিছু না কিছু খাবার খান তিনি। স্যুপ, সব্জি, স্যালাড, শেক, যে কোনও পুষ্টিকর জিনিস কয়েক ঘণ্টা অন্তর অন্তর খেয়ে চলেন শাকিরা। ফলে তাঁর বিপাক ক্রিয়া চলতে থাকে সমানে। ক্রমাগত চলতে থাকে ফ্যাট ভাঙার প্রক্রিয়াও।
কী ভাবে খাওয়া দাওয়া করেন শাকিরা?
অ্যানা কাইসার জানাচ্ছেন, শাকিরা খাওয়াদাওয়ার রুটিনে মূলত তিনটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়— এক, কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন, দুই, খাবারে প্রোটিনের মাত্রা আর তা কখন খাওয়া হচ্ছে এবং তিন, খাবার কতটা সময় অন্তর খাওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ওই তৃতীয় বিষয়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন শাকিরার প্রশিক্ষক।
১। খাবারের ধরন: সব সময় পুষ্টিকর খাবার খান শাকিরা। এমন খাবার, যা শরীরের উপকারে লাগবে আর কোনও ক্ষতি করবে না। মূলত তাঁর সকাল শুরু হয় একটা অমলেট আর কিছু সবুজ শাক-সব্জি খেয়ে। দুপুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ স্যালাড খান আর রাতে খান সেদ্ধ করা সব্জি আর কিছু সহজপাচ্য হালকা প্রোটিন জাতীয় খাবার। সারা দিনে মাঝে মধ্যে যে ‘স্ন্যাক’ বা টুকটাক মুখচালানোর খাবার খান শাকিরা, তাতেও কোনও অস্বাস্থ্যকর খাবার থাকে না। ফল, গরম গরম বানানো স্যুপ, কোনও একটি বা দু’টি সব্জি, প্রোটিন স্মুদি বা প্রোটিন শেক, এই সমস্ত খান সারা দিনে।
২। খাবারের প্রোটিন: প্রোটিন খাওয়ার ব্যাপারে কিছু নিয়ম মেনে চলেন শাকিরা। প্রথম, তিনি শরীরচর্চা করার ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিন খান। কারণ, তাতে শরীর আরও ভাল ভাবে ফ্যাট ঝরায় এবং পেশি আরও শক্তিশালী হয়। দ্বিতীয়ত, শাকিরা প্রতি বারের মূল খাবার বা ‘মিল’-এর সঙ্গে বাধ্যতামূলক ভাবে প্রোটিন খান। তৃতীয়ত, সকালের দিকে ভারী প্রাণিজ প্রোটিন খেলেও রাতের দিকে সহজপাচ্য হালকা প্রোটিন নেন।
৩। খাওয়ার সময়: এই নিয়মটি শাকিরার ওজন বশে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন, তাঁর প্রশিক্ষক কাইসার। তিনি বলছেন, ‘‘শাকিরা এক বারে অনেকটা বেশি হয়তো খান না। কিন্তু সারা দিনে এনার্জি কমতেও দেন না। প্রতি ২-৩ ঘণ্টা অন্তর কিছু না কিছু খাবার খান তিনি। স্যুপ, সব্জি, স্যালাড, শেক, যে কোনও পুষ্টিকর জিনিস কয়েক ঘণ্টা অন্তর অন্তর খেয়ে চলেন শাকিরা। ফলে তাঁর বিপাক ক্রিয়া চলতে থাকে সমানে। ক্রমাগত চলতে থাকে ফ্যাট ভাঙার প্রক্রিয়াও।