দেশে হামের প্রকোপ কোনোভাবেই কমছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে আরও ১ হাজার ১১০ শিশুর শরীরে এই রোগের উপসর্গ দেখা গেছে। মৃত তিন শিশুর সবাই ঢাকা বিভাগের।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক সবশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৫৭ শিশু। বিপরীতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ১৪৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৮৩ হাজার ১৩৯টি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮ হাজার ৫৬ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশ অর্থাৎ ৬৪ হাজার ২৯৩ শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।
এদিকে গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৪২ শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সরাসরি হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯২ জন শিশু। আর বাকি ৫৫০ জন শিশু মারা গেছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।
চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দেয়ামাত্রই কোনো ধরনের অবহেলা না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে প্রচণ্ড জ্বর ও শরীরে গুটি বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক সবশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৫৭ শিশু। বিপরীতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ১৪৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৮৩ হাজার ১৩৯টি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮ হাজার ৫৬ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশ অর্থাৎ ৬৪ হাজার ২৯৩ শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।
এদিকে গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৪২ শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সরাসরি হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯২ জন শিশু। আর বাকি ৫৫০ জন শিশু মারা গেছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।
চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দেয়ামাত্রই কোনো ধরনের অবহেলা না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে প্রচণ্ড জ্বর ও শরীরে গুটি বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।