ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। এর ফলে হাসপাতালটিতে নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ থাকবে এবং ভর্তি থাকা রোগীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় লাইসেন্স বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ১৯৮২ সালের মেডিকেল প্র্যাকটিস, প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
লাইসেন্স বাতিলের পর রোগী ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ থাকবে। তবে ভর্তি থাকা রোগীদের বিষয়ে মানবিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে ভর্তি রোগীদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আর প্রয়োজনে রোগী ও তাদের পরিবারের অনুরোধ পেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরও সহায়তা করবে।
হাসপাতালটির বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং নির্ধারিত বিচারিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে ভোররাতে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক ওয়ার্ডে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর সরকার একাধিক তদন্ত কমিটি করে। তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক-নার্সদের অবহেলাকে দায়ী করা হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় লাইসেন্স বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ১৯৮২ সালের মেডিকেল প্র্যাকটিস, প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
লাইসেন্স বাতিলের পর রোগী ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ থাকবে। তবে ভর্তি থাকা রোগীদের বিষয়ে মানবিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে ভর্তি রোগীদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আর প্রয়োজনে রোগী ও তাদের পরিবারের অনুরোধ পেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরও সহায়তা করবে।
হাসপাতালটির বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং নির্ধারিত বিচারিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে ভোররাতে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক ওয়ার্ডে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর সরকার একাধিক তদন্ত কমিটি করে। তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক-নার্সদের অবহেলাকে দায়ী করা হয়।