সরকারি বিভিন্ন দফতরে শূন্যপদ পূরণ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান তিনি।
সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন উদ্বোধনের দিনই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতি প্রতিরোধে যতটা সম্ভব প্রতিরোধ করা, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারি বিভিন্ন দফতরে শূন্যপদ পূরণ গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
সংসদ সদস্য আহমেদ বিন কাসেমের প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, ‘যেসব নারীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের কোনো নির্দিষ্ট আসন নেই। দলীয় অবস্থান থেকে কিছু আসন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই সংসদ যেহেতু নারী সদস্যদের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেছে, তাই যেসব নিয়ম রয়েছে তা অনুসরণ করা হচ্ছে। এলাকার উন্নয়নে সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইলে সাধ্যমত চেষ্টা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন উপকারভোগী পদক্ষেপ থেকে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকায় কেউ বঞ্চিত হলে দৃষ্টি আকর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সরকার গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণ করবে এবং সেভাবেই পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
স্বৈরাচার সরকারের অর্থ পাচার-দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘দেশি-বিদেশি বিনিয়োগারীদের আকৃষ্ট করতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আমদানি-রফতানি নিবন্ধন দ্রুততম করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আমদানি সহজ করতে মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাণিজ্য সহজীকরণ করা হচ্ছে।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর পাশাপাশি দেশি বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করত চায় বলে জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুদের হার ইস্যুতে বেশকিছু বিষয় রয়েছে, যা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে এখনই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া যাচ্ছে না। ব্যবসা, অর্থনীতি এমন এক বিষয় যেখানে যে কোনো পরিকল্পনার ফলাফল পেতে সময় লাগে। সবসময় সুদের হার কমালেই যে লাভ হবে বিষয়টি এমন নয়।’
তিনি বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি অস্বস্তি ছিল লভ্যাংশ নিয়ে যেতে না পারা, যা আইন করে ঠিক করা হয়েছে। বিদেশ থেকে যদি কেউ বাংলাদেশে বিনিয়োগ আনতে পারে পারে তাহলে তাকে সেই বিনিয়োগের এক শতাংশ পরামর্শ ভাতা হিসেবে দেয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাইলট প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ৪১ লাখ ২০ হজার পরিবারের নারী প্রধানের হাতে এই কার্ড তুলে দেয়া পরিকল্পনা আছে সরকারের। ৩১ মে পর্যন্ত ৬৬৬টি খাল পুনঃখনন কাজ চলমান, যার আয়তন ৯৬৫ কিলোমিটার। বর্ষার কারণে আপাতত কিছু খননকাজ সাময়িক স্থগিত রয়েছে। বনায়ন সৃষ্টিতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ৩ কোটি ১৪ লাখ চারা রোপণ করা হবে। বাংলাদেশে পে-পালের কার্যক্রম শুরুর জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান তিনি।
সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন উদ্বোধনের দিনই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতি প্রতিরোধে যতটা সম্ভব প্রতিরোধ করা, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারি বিভিন্ন দফতরে শূন্যপদ পূরণ গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
সংসদ সদস্য আহমেদ বিন কাসেমের প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, ‘যেসব নারীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের কোনো নির্দিষ্ট আসন নেই। দলীয় অবস্থান থেকে কিছু আসন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই সংসদ যেহেতু নারী সদস্যদের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেছে, তাই যেসব নিয়ম রয়েছে তা অনুসরণ করা হচ্ছে। এলাকার উন্নয়নে সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইলে সাধ্যমত চেষ্টা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন উপকারভোগী পদক্ষেপ থেকে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকায় কেউ বঞ্চিত হলে দৃষ্টি আকর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সরকার গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণ করবে এবং সেভাবেই পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
স্বৈরাচার সরকারের অর্থ পাচার-দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘দেশি-বিদেশি বিনিয়োগারীদের আকৃষ্ট করতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আমদানি-রফতানি নিবন্ধন দ্রুততম করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আমদানি সহজ করতে মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাণিজ্য সহজীকরণ করা হচ্ছে।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর পাশাপাশি দেশি বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করত চায় বলে জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুদের হার ইস্যুতে বেশকিছু বিষয় রয়েছে, যা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে এখনই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া যাচ্ছে না। ব্যবসা, অর্থনীতি এমন এক বিষয় যেখানে যে কোনো পরিকল্পনার ফলাফল পেতে সময় লাগে। সবসময় সুদের হার কমালেই যে লাভ হবে বিষয়টি এমন নয়।’
তিনি বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি অস্বস্তি ছিল লভ্যাংশ নিয়ে যেতে না পারা, যা আইন করে ঠিক করা হয়েছে। বিদেশ থেকে যদি কেউ বাংলাদেশে বিনিয়োগ আনতে পারে পারে তাহলে তাকে সেই বিনিয়োগের এক শতাংশ পরামর্শ ভাতা হিসেবে দেয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাইলট প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ৪১ লাখ ২০ হজার পরিবারের নারী প্রধানের হাতে এই কার্ড তুলে দেয়া পরিকল্পনা আছে সরকারের। ৩১ মে পর্যন্ত ৬৬৬টি খাল পুনঃখনন কাজ চলমান, যার আয়তন ৯৬৫ কিলোমিটার। বর্ষার কারণে আপাতত কিছু খননকাজ সাময়িক স্থগিত রয়েছে। বনায়ন সৃষ্টিতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ৩ কোটি ১৪ লাখ চারা রোপণ করা হবে। বাংলাদেশে পে-পালের কার্যক্রম শুরুর জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।