সম্পর্কের তিন বছর পূর্ণ হয়েছিল। প্রেমিকার দীর্ঘদিনের আবদার মেটাতে জন্মদিনে চার লাখ টাকারও বেশি মূল্যের একটি দামি উপহার দিয়েছিলেন যুবক। কিন্তু কে জানত, এই উপহার পাওয়ার জন্যই এতদিন সম্পর্কের অভিনয় করছিলেন প্রেমিকা! উপহার হাতে পাওয়ার ঠিক পরদিনই যুবকের সঙ্গে ব্রেকআপ (সম্পর্কচ্ছেদ) করেন তিনি।
এমনই এক অদ্ভুত ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাজ্যে (UK)। প্রতারিত ওই যুবক নিজের ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে আইনি পরামর্শের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রেডিটে (Reddit) একটি পোস্ট করেন, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
ভাইরাল হওয়া পোস্টে ওই যুবক জানান, তিনি তার প্রেমিকার দীর্ঘদিনের শখ পূরণ করতে জন্মদিনে ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় চার লাখ ১১ হাজার টাকা) দামের একটি হাই-এন্ড গেমিং পিসি (Gaming PC) উপহার দেন। কিন্তু উপহার নেওয়ার ঠিক পরদিনই প্রেমিকা তাকে ছেড়ে চলে যান। হঠাৎ করে এমন ব্রেকআপে পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যান ওই যুবক।
তিনি লেখেন, ‘হঠাৎ ব্রেকআপে আমি আকাশ থেকে পড়েছিলাম। ভীষণ কষ্ট পেয়েছি, কারণ এর আগে কেউ আমাকে এভাবে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেনি।’
পরবর্তীতে যুবকের এক বন্ধুর মাধ্যমে আসল সত্যটি সামনে আসে। ওই যুবকের প্রেমিকা আসলে কয়েক মাস আগেই সম্পর্ক ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জন্মদিনে লাখ টাকার এই কম্পিউটারটি নিশ্চিত করতেই তিনি ব্রেকআপ না করে ভালোবাসার নাটক চালিয়ে যান। যুবক আরও জানান, তিনি তার প্রেমিকার বন্ধুদের চ্যাটের কিছু স্ক্রিনশটও পেয়েছেন, যেখানে মেয়েটি নিজেই স্বীকার করেছে, সে শুধু উপহারের জন্যই জন্মদিনের অপেক্ষা করছিল।
যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, কাউকে কোনো কিছু স্বেচ্ছায় উপহার দিলে সেটির মালিকানা সম্পূর্ণ প্রাপকের হয়ে যায়। ফলে আইনিভাবে সেই কম্পিউটার এখন ওই তরুণীরই সম্পত্তি। কিন্তু প্রতারণার শিকার যুবকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে চেয়েছেন, যেহেতু মেয়েটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শুধু উপহার পাওয়ার জন্য সম্পর্কের ভান করেছিল, তাই এই প্রতারণার ভিত্তিতে কোনোভাবে জিনিসটি ফেরত পাওয়ার আইনি সুযোগ আছে কি না।
পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা যুবকের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। অনেকেই একে একটি ‘জীবনমুখী শিক্ষা’ হিসেবে মেনে নিয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
যুবকের পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, আইনিভাবে কম্পিউটার হয়তো তারই। তবে আপনি চাইলে তার পরিবার ও বন্ধুদের জানাতে পারেন সে কেমন মানুষ। অনেক সময় দামি উপহারের চেয়ে পরিবারের কাছে নিজের সম্মান বেশি মূল্যবান হয়।
আরেকজন লিখেছেন, ‘মেয়েটি সত্যিই জঘন্য কাজ করেছে। তবে দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে পারেন। মামলায় জিতেন আর হারেন, আদালতে দাঁড়িয়ে নিজের এই অপকর্মের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সে যে অস্বস্তিতে পড়বে, সেটাই হবে তার আসল শাস্তি।’
অন্য একজন রসাত্মক মন্তব্য করে লিখেছেন, ২ হাজার ৫০০ পাউন্ডকে একটা ‘ক্যানসেলেশন ফি’ হিসেবে ধরে নিন, যা দিয়ে আপনার জীবন থেকে এত বড় একজন লোভী ও ভয়ঙ্কর মানুষ চিরতরে বিদায় হলো! সূত্র: এনডিটিভি
এমনই এক অদ্ভুত ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাজ্যে (UK)। প্রতারিত ওই যুবক নিজের ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে আইনি পরামর্শের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রেডিটে (Reddit) একটি পোস্ট করেন, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
ভাইরাল হওয়া পোস্টে ওই যুবক জানান, তিনি তার প্রেমিকার দীর্ঘদিনের শখ পূরণ করতে জন্মদিনে ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় চার লাখ ১১ হাজার টাকা) দামের একটি হাই-এন্ড গেমিং পিসি (Gaming PC) উপহার দেন। কিন্তু উপহার নেওয়ার ঠিক পরদিনই প্রেমিকা তাকে ছেড়ে চলে যান। হঠাৎ করে এমন ব্রেকআপে পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যান ওই যুবক।
তিনি লেখেন, ‘হঠাৎ ব্রেকআপে আমি আকাশ থেকে পড়েছিলাম। ভীষণ কষ্ট পেয়েছি, কারণ এর আগে কেউ আমাকে এভাবে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেনি।’
পরবর্তীতে যুবকের এক বন্ধুর মাধ্যমে আসল সত্যটি সামনে আসে। ওই যুবকের প্রেমিকা আসলে কয়েক মাস আগেই সম্পর্ক ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জন্মদিনে লাখ টাকার এই কম্পিউটারটি নিশ্চিত করতেই তিনি ব্রেকআপ না করে ভালোবাসার নাটক চালিয়ে যান। যুবক আরও জানান, তিনি তার প্রেমিকার বন্ধুদের চ্যাটের কিছু স্ক্রিনশটও পেয়েছেন, যেখানে মেয়েটি নিজেই স্বীকার করেছে, সে শুধু উপহারের জন্যই জন্মদিনের অপেক্ষা করছিল।
যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, কাউকে কোনো কিছু স্বেচ্ছায় উপহার দিলে সেটির মালিকানা সম্পূর্ণ প্রাপকের হয়ে যায়। ফলে আইনিভাবে সেই কম্পিউটার এখন ওই তরুণীরই সম্পত্তি। কিন্তু প্রতারণার শিকার যুবকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে চেয়েছেন, যেহেতু মেয়েটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শুধু উপহার পাওয়ার জন্য সম্পর্কের ভান করেছিল, তাই এই প্রতারণার ভিত্তিতে কোনোভাবে জিনিসটি ফেরত পাওয়ার আইনি সুযোগ আছে কি না।
পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা যুবকের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। অনেকেই একে একটি ‘জীবনমুখী শিক্ষা’ হিসেবে মেনে নিয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
যুবকের পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, আইনিভাবে কম্পিউটার হয়তো তারই। তবে আপনি চাইলে তার পরিবার ও বন্ধুদের জানাতে পারেন সে কেমন মানুষ। অনেক সময় দামি উপহারের চেয়ে পরিবারের কাছে নিজের সম্মান বেশি মূল্যবান হয়।
আরেকজন লিখেছেন, ‘মেয়েটি সত্যিই জঘন্য কাজ করেছে। তবে দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে পারেন। মামলায় জিতেন আর হারেন, আদালতে দাঁড়িয়ে নিজের এই অপকর্মের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সে যে অস্বস্তিতে পড়বে, সেটাই হবে তার আসল শাস্তি।’
অন্য একজন রসাত্মক মন্তব্য করে লিখেছেন, ২ হাজার ৫০০ পাউন্ডকে একটা ‘ক্যানসেলেশন ফি’ হিসেবে ধরে নিন, যা দিয়ে আপনার জীবন থেকে এত বড় একজন লোভী ও ভয়ঙ্কর মানুষ চিরতরে বিদায় হলো! সূত্র: এনডিটিভি