রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ চলাকালে অসুস্থ হয়ে জীবন রহমান (৪৫) নামের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দৌড়ানোর সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে প্রশিক্ষণরত এসআইদের এক কিলোমিটার দৌড়ের কর্মসূচি ছিল। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে দৌড়ানোর সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাঠে বসে পড়েন জীবন রহমান। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জীবন রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জীবন রহমান ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং এ-সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া চারঘাট থানায় সম্পন্ন হবে।
চারঘাট থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দৌড়ানোর সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে প্রশিক্ষণরত এসআইদের এক কিলোমিটার দৌড়ের কর্মসূচি ছিল। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে দৌড়ানোর সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাঠে বসে পড়েন জীবন রহমান। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জীবন রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জীবন রহমান ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং এ-সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া চারঘাট থানায় সম্পন্ন হবে।
চারঘাট থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।