উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও অযত্নে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সামান্য বৃষ্টিতেই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম জলমগ্ন হয়ে পড়ে, ফুটো ছাউনি দিয়ে পানি ঝরতে থাকে এবং প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন স্থানের ইট-সুরকির কাঠামো ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন শত শত যাত্রী।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার এই স্টেশনটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত। দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন নওগাঁ জেলার বৃহত্তম ও ব্যস্ততম রেলস্টেশনগুলোর একটি। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের ধান, চাল, মাছসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পরিবহনেও স্টেশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও যাত্রীসেবার কারণে আহসানগঞ্জ স্টেশন উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। নওগাঁ জেলার তিনটি রেলস্টেশনের মধ্যে যাত্রী ও রাজস্ব আয়ের দিক থেকে এটি অন্যতম শীর্ষস্থানীয়। এই স্টেশনের ওপর দিয়ে ঢাকা-চিলাহাটি, ঢাকা-পঞ্চগড়, রাজশাহী-চিলাহাটি, রাজশাহী-পঞ্চগড় এবং খুলনা-চিলাহাটি রুটে একাধিক আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন শত শত যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করলেও অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে যাত্রীসেবা দিন দিন ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরে প্ল্যাটফর্মের উত্তরাংশের ছাউনি নষ্ট হয়ে থাকলেও তা সংস্কারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বৃষ্টি হলেই প্ল্যাটফর্মের ছাদের ফুটো টিন দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ে পুরো প্ল্যাটফর্ম ভিজে যায়। একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। অনেক সময় যাত্রীদের পানি এড়িয়ে চলাচল করে ট্রেনে উঠতে হয়।
যাত্রীসেবার চিত্রও অত্যন্ত হতাশাজনক। স্টেশনে বসার জন্য পর্যাপ্ত বেঞ্চ নেই। যে কয়েকটি বেঞ্চ রয়েছে তার অধিকাংশই ভাঙাচোরা, মরিচাধরা ও অযত্নে পড়ে আছে। ফলে দীর্ঘ সময় ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ট্রেন বিলম্বিত হলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
এছাড়া প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন চত্বরে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা জমে থাকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনটির পরিবেশ ক্রমেই অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব আয় হয়, যা একই মানের অনেক স্টেশনের তুলনায় বেশি। তবে রাজস্ব আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত না হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও আত্রাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি আমাদের এলাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্ল্যাটফর্মের বেহাল অবস্থা ও যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমার নজরে রয়েছে। স্টেশনটি সংস্কারের জন্য জাতীয় সংসদে জোরালো দাবি জানিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আশা করছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া যাবে এবং সংস্কার কাজ শুরু হবে। তিঁনি আরো বলেন, ঢাকা গামী যাত্রীদের সুবিধার্থে , ঢাকা গামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি অতি দ্রুত স্টেশনে যাত্রা বিরতির ব্যবস্থা করা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আহম্মাদ হোসেন মাসুম বলেন, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও যাত্রীছাউনি সংস্কারের জন্য কয়েক মাস আগে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। তবে কোনো ঠিকাদার অংশ না নেওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে। খুব শিগগিরই পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হবে। আগামী অর্থবছরের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে আত্রাই উপজেলা দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি সাংবাদিক ফরিদুল আলম পিন্টু বলেন, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি আত্রাই উপজেলা ও নদীর পাশে নির্মিত হওয়ায় এটির গুরুত্ব ব্রিটিশ আমল থেকে আজ পর্যন্ত কমেনি বরং গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। স্টেশন সংস্কারের পাশাপাশি যাত্রী চাহিদার কথা বিবেচনা করে ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও পর্যাপ্ত সিট বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনে আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন জরুরি। ট্রেনে ওঠানামার সময় অনেক যাত্রী মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির শিকার হন। তাই দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের মতো আহসানগঞ্জ স্টেশনেও দ্রুত সিসিটিভি ব্যবস্থা চালু করা উচিত। কিছুদিন থেকে দেখা যাচ্ছে কিছু মোটরসাইকেল চালক অবৈধভাবে প্ল্যাটফর্মের উপর মোটরসাইকেল চলাচল করছে ও স্টেশনের মোটরসাইকেল পার্কিং করে রাখছে এটাও বন্ধ করা জরুরি।তিনি আরও বলেন, কিছু মোটরসাইকেল চালক অবৈধভাবে প্ল্যাটফর্মের ওপর মোটরসাইকেল চলাচল ও পার্কিং করছেন, যা যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি দ্রুত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
দীর্ঘদিনের অবহেলা, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্কার উদ্যোগের অভাবে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী এই রেলস্টেশনটির বর্তমান অবস্থা স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনকে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও যাত্রীবান্ধব স্টেশনে পরিণত করা হোক। পাশাপাশি ট্রেনের যাত্রাবিরতি বৃদ্ধি, নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে স্টেশনটির ঐতিহ্য ও গুরুত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়ন করা হোক।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার এই স্টেশনটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত। দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন নওগাঁ জেলার বৃহত্তম ও ব্যস্ততম রেলস্টেশনগুলোর একটি। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের ধান, চাল, মাছসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পরিবহনেও স্টেশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও যাত্রীসেবার কারণে আহসানগঞ্জ স্টেশন উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। নওগাঁ জেলার তিনটি রেলস্টেশনের মধ্যে যাত্রী ও রাজস্ব আয়ের দিক থেকে এটি অন্যতম শীর্ষস্থানীয়। এই স্টেশনের ওপর দিয়ে ঢাকা-চিলাহাটি, ঢাকা-পঞ্চগড়, রাজশাহী-চিলাহাটি, রাজশাহী-পঞ্চগড় এবং খুলনা-চিলাহাটি রুটে একাধিক আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন শত শত যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করলেও অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে যাত্রীসেবা দিন দিন ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরে প্ল্যাটফর্মের উত্তরাংশের ছাউনি নষ্ট হয়ে থাকলেও তা সংস্কারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বৃষ্টি হলেই প্ল্যাটফর্মের ছাদের ফুটো টিন দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ে পুরো প্ল্যাটফর্ম ভিজে যায়। একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। অনেক সময় যাত্রীদের পানি এড়িয়ে চলাচল করে ট্রেনে উঠতে হয়।
যাত্রীসেবার চিত্রও অত্যন্ত হতাশাজনক। স্টেশনে বসার জন্য পর্যাপ্ত বেঞ্চ নেই। যে কয়েকটি বেঞ্চ রয়েছে তার অধিকাংশই ভাঙাচোরা, মরিচাধরা ও অযত্নে পড়ে আছে। ফলে দীর্ঘ সময় ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ট্রেন বিলম্বিত হলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
এছাড়া প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন চত্বরে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা জমে থাকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনটির পরিবেশ ক্রমেই অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব আয় হয়, যা একই মানের অনেক স্টেশনের তুলনায় বেশি। তবে রাজস্ব আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত না হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও আত্রাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি আমাদের এলাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্ল্যাটফর্মের বেহাল অবস্থা ও যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমার নজরে রয়েছে। স্টেশনটি সংস্কারের জন্য জাতীয় সংসদে জোরালো দাবি জানিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আশা করছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া যাবে এবং সংস্কার কাজ শুরু হবে। তিঁনি আরো বলেন, ঢাকা গামী যাত্রীদের সুবিধার্থে , ঢাকা গামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি অতি দ্রুত স্টেশনে যাত্রা বিরতির ব্যবস্থা করা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আহম্মাদ হোসেন মাসুম বলেন, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও যাত্রীছাউনি সংস্কারের জন্য কয়েক মাস আগে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। তবে কোনো ঠিকাদার অংশ না নেওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে। খুব শিগগিরই পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হবে। আগামী অর্থবছরের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে আত্রাই উপজেলা দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি সাংবাদিক ফরিদুল আলম পিন্টু বলেন, আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি আত্রাই উপজেলা ও নদীর পাশে নির্মিত হওয়ায় এটির গুরুত্ব ব্রিটিশ আমল থেকে আজ পর্যন্ত কমেনি বরং গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। স্টেশন সংস্কারের পাশাপাশি যাত্রী চাহিদার কথা বিবেচনা করে ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও পর্যাপ্ত সিট বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনে আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন জরুরি। ট্রেনে ওঠানামার সময় অনেক যাত্রী মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির শিকার হন। তাই দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের মতো আহসানগঞ্জ স্টেশনেও দ্রুত সিসিটিভি ব্যবস্থা চালু করা উচিত। কিছুদিন থেকে দেখা যাচ্ছে কিছু মোটরসাইকেল চালক অবৈধভাবে প্ল্যাটফর্মের উপর মোটরসাইকেল চলাচল করছে ও স্টেশনের মোটরসাইকেল পার্কিং করে রাখছে এটাও বন্ধ করা জরুরি।তিনি আরও বলেন, কিছু মোটরসাইকেল চালক অবৈধভাবে প্ল্যাটফর্মের ওপর মোটরসাইকেল চলাচল ও পার্কিং করছেন, যা যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি দ্রুত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
দীর্ঘদিনের অবহেলা, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্কার উদ্যোগের অভাবে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী এই রেলস্টেশনটির বর্তমান অবস্থা স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনকে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও যাত্রীবান্ধব স্টেশনে পরিণত করা হোক। পাশাপাশি ট্রেনের যাত্রাবিরতি বৃদ্ধি, নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে স্টেশনটির ঐতিহ্য ও গুরুত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়ন করা হোক।