পাবনা শহরে পৃথক ঘটনায় গুলিতে একজন ও ছুরিকাঘাতে আরেকজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় শহরের দুটি স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রামের আলী হোসেন (৫৩) এবং সাথিয়া উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম (২১)। মনিরুল পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহরের মাসুম বাজার এলাকার জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে আলী হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ছেলেকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতে এসে রিকশা থেকে নামার সময় দুই মোটরসাইকেলে আসা চার দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আলী হোসেন চরমপন্থি সংগঠনের সদস্য ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন পাবনা পেট্রোলিয়াম পাম্প এলাকার একটি টয়লেটে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে পূর্বপরিচিত এক যুবকের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাকিব নামে ওই যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ।
গুরুতর আহত মনিরুল দৌড়ে নিকটস্থ পুলিশ বক্সের সামনে এসে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্ত রাকিব পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে তাকে আটক করে। পালানোর সময় তিনি কচুরিপানায় ভরা একটি পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাবনা সদর থানার ওসি (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, দুটি হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় শহরের দুটি স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রামের আলী হোসেন (৫৩) এবং সাথিয়া উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম (২১)। মনিরুল পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহরের মাসুম বাজার এলাকার জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে আলী হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ছেলেকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতে এসে রিকশা থেকে নামার সময় দুই মোটরসাইকেলে আসা চার দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আলী হোসেন চরমপন্থি সংগঠনের সদস্য ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন পাবনা পেট্রোলিয়াম পাম্প এলাকার একটি টয়লেটে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে পূর্বপরিচিত এক যুবকের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাকিব নামে ওই যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ।
গুরুতর আহত মনিরুল দৌড়ে নিকটস্থ পুলিশ বক্সের সামনে এসে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্ত রাকিব পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে তাকে আটক করে। পালানোর সময় তিনি কচুরিপানায় ভরা একটি পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাবনা সদর থানার ওসি (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, দুটি হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।