রাজশাহীর বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমলেশ দাসের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে তাকে বাগমারা থানা থেকে সরিয়ে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
ভাইরাল হওয়া ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ দপ্তরে বসে থাকা কমলেশ দাস অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি খামের ভেতর থেকে টাকা বের করে গণনা করে মানিব্যাগে রাখেন। ভিডিওতে তাকে হাসিমুখে কথোপকথন করতে এবং টেবিলের ওপর থাকা একটি লাল রঙের খাতাও দেখাতে দেখা যায়।
রোববার রাতে ‘কাজিম বাবু’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি প্রকাশ হওয়ার পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তবে ভিডিওতে অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির পরিচয় স্পষ্ট নয়। এছাড়া ভিডিওটিতে কোনো অডিও না থাকায় তাদের কথোপকথনের বিষয়বস্তু কিংবা অর্থ লেনদেনের উদ্দেশ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, প্রায় তিন মাস আগে কমলেশ দাস বাগমারা থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কমলেশ দাস বলেন, ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে তা তার জানা নেই। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রেশনসংক্রান্ত কাজেও অনেক সময় অর্থ লেনদেন হয়ে থাকে।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে কমলেশ দাসকে বাগমারা থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে তাকে বাগমারা থানা থেকে সরিয়ে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
ভাইরাল হওয়া ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ দপ্তরে বসে থাকা কমলেশ দাস অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি খামের ভেতর থেকে টাকা বের করে গণনা করে মানিব্যাগে রাখেন। ভিডিওতে তাকে হাসিমুখে কথোপকথন করতে এবং টেবিলের ওপর থাকা একটি লাল রঙের খাতাও দেখাতে দেখা যায়।
রোববার রাতে ‘কাজিম বাবু’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি প্রকাশ হওয়ার পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তবে ভিডিওতে অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির পরিচয় স্পষ্ট নয়। এছাড়া ভিডিওটিতে কোনো অডিও না থাকায় তাদের কথোপকথনের বিষয়বস্তু কিংবা অর্থ লেনদেনের উদ্দেশ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, প্রায় তিন মাস আগে কমলেশ দাস বাগমারা থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কমলেশ দাস বলেন, ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে তা তার জানা নেই। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রেশনসংক্রান্ত কাজেও অনেক সময় অর্থ লেনদেন হয়ে থাকে।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে কমলেশ দাসকে বাগমারা থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।