নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় রাতে গরমের কারণে ঘরের দরজা খোলা রাখার সুযোগ নিয়ে এক গৃহবধূর ওপর বর্বরোচিত সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম ওই গৃহবধূর নাম সৈয়দা রোজি আক্তার (৩৭)। তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করে পত্নীতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন দিবাগত রাতে খাবার খেয়ে বাবার বাড়িতে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান সৈয়দা রোজি আক্তার। প্রচণ্ড গরম থাকায় তিনি ঘরের দরজা খোলা রেখেছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা শয়নকক্ষে ঢুকে ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করতে থাকে। এ সময় শব্দ পেয়ে গৃহবধূর ঘুম ভেঙে যায়।
ঘুম ভেঙে গেলে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ওই গৃহবধূর মাথার বাম পাশে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে পাশের কক্ষে থাকা তার মা আনজুমান আরা বেগম (৫৫), বাবা সৈয়দ রেজাউল ইসলাম এবং ছোট বোন সৈয়দা রেশমী আক্তার (৩০) এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দেরিতে অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে ভুক্তভোগী সৈয়দা রোজি আক্তার জানান, চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থাকা এবং আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করতে কিছুটা সময় লাগায় থানায় এজাহার দায়ের করতে দেরি হয়েছে।
এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, হামলার ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) পাওয়া গেছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করে পত্নীতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন দিবাগত রাতে খাবার খেয়ে বাবার বাড়িতে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান সৈয়দা রোজি আক্তার। প্রচণ্ড গরম থাকায় তিনি ঘরের দরজা খোলা রেখেছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা শয়নকক্ষে ঢুকে ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করতে থাকে। এ সময় শব্দ পেয়ে গৃহবধূর ঘুম ভেঙে যায়।
ঘুম ভেঙে গেলে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ওই গৃহবধূর মাথার বাম পাশে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে পাশের কক্ষে থাকা তার মা আনজুমান আরা বেগম (৫৫), বাবা সৈয়দ রেজাউল ইসলাম এবং ছোট বোন সৈয়দা রেশমী আক্তার (৩০) এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দেরিতে অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে ভুক্তভোগী সৈয়দা রোজি আক্তার জানান, চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থাকা এবং আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করতে কিছুটা সময় লাগায় থানায় এজাহার দায়ের করতে দেরি হয়েছে।
এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, হামলার ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) পাওয়া গেছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।