রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এক নারীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটপাট এবং দুই দফায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
শুক্রবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুঠিয়া থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়।
মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে| মামলার পর পুলিশ মুরাদ নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী গত ১ জুন পুঠিয়া উপজেলার একটি বাড়ি ভাড়া নেন এবং বৃহস্পতিবার সেখানে বসবাস শুরু করেন। সেদিন রাত প্রায় ৯টার দিকে তার বাড়ির সামনে এক কিশোরকে দেখে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জড়িয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলেন।
অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা বাড়ির গেট ও জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে। পরে তাদের মধ্যে একজন ঘরের দরজা বন্ধ করে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, পরে আরেক অভিযুক্ত তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে করে উপজেলার উজালপুর এলাকার একটি নির্জন মাঠে নিয়ে যান। সেখানে অপর এক আসামিকে ডেকে এনে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
পরে তাকে বাঁশবাড়ী বাজার এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হলে তিনি সেখান থেকে নাটোরের নলডাঙ্গায় নিজ বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে পুঠিয়া থানায় এসে মামলা দায়ের করেন তিনি।
মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, জিউপাড়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল, জিউপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য মুরাদ, পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য বুলবুল, জিউপাড়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ফিরোজ এবং শ্রমিক দল নেতা সুমন।
পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে মুরাদ নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুঠিয়া থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়।
মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে| মামলার পর পুলিশ মুরাদ নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী গত ১ জুন পুঠিয়া উপজেলার একটি বাড়ি ভাড়া নেন এবং বৃহস্পতিবার সেখানে বসবাস শুরু করেন। সেদিন রাত প্রায় ৯টার দিকে তার বাড়ির সামনে এক কিশোরকে দেখে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জড়িয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলেন।
অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা বাড়ির গেট ও জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে। পরে তাদের মধ্যে একজন ঘরের দরজা বন্ধ করে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, পরে আরেক অভিযুক্ত তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে করে উপজেলার উজালপুর এলাকার একটি নির্জন মাঠে নিয়ে যান। সেখানে অপর এক আসামিকে ডেকে এনে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
পরে তাকে বাঁশবাড়ী বাজার এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হলে তিনি সেখান থেকে নাটোরের নলডাঙ্গায় নিজ বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে পুঠিয়া থানায় এসে মামলা দায়ের করেন তিনি।
মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, জিউপাড়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল, জিউপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য মুরাদ, পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য বুলবুল, জিউপাড়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ফিরোজ এবং শ্রমিক দল নেতা সুমন।
পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে মুরাদ নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।