আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) অপব্যবহার রুখতে গাইডলাইন প্রণয়নের পথে হাঁটছে সরকার। একইসঙ্গে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে ফ্যাক্ট-চেকিং সক্ষমতা বাড়াতেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ফলে শুধু আইন প্রণয়ন নয়, বরং এআইয়ের সুফল ও কুফল নিয়ে জনগণকে সচেতন করতেও কাজ করবে সরকার।
প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা। উন্নত বিশ্ব যখন শিক্ষা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন খাতে এর কার্যকর ব্যবহার করছে, বাংলাদেশেও কিছু ক্ষেত্রে এআইয়ের সফল প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। তবে একইসঙ্গে কখনো কখনো এটি হয়ে উঠছে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআইয়ের ব্যবহার নতুন ধরনের উদ্বেগ তৈরি করছে। ডিসইনফরমেশন, মিসইনফরমেশন, ডিপফেক ছবি ও ভিডিওতে ভরে যাচ্ছে অনলাইন জগৎ। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এসব টুলের ব্যবহারও বাড়ছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেরিয়ে সামাজিক নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় এআই-নির্মিত ছবি ঘিরে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
এ পরিস্থিতি সরকারকেও ভাবাচ্ছে। এআই ব্যবহারের লাগাম টানতে গাইডলাইন প্রণয়নের পথে হাঁটছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গাইডলাইন তৈরি করা যায় কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এ ধরনের একটি গাইডলাইন থাকা প্রয়োজন। এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বজুড়েই এআই নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত।
শুধু আইন প্রণয়নই নয়, বরং এআইয়ের সুফল ও কুফল নিয়ে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করবে সরকার। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আইন করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। আইন থাকলেও সবাই তা মানে না। তাই সঠিক তথ্যের প্রচার বাড়াতে হবে এবং জনগণকে প্রশিক্ষিত করতে হবে। এআইয়ের সুফল ও কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি ফ্যাক্ট-চেকিং সক্ষমতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রতিনিয়ত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। তাই শুধু নীতিমালা নয়, বরং বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে আলাদা প্যানেল গঠন করা জরুরি। দি এআই কালেক্টিভের বাংলাদেশ প্রধান মোহাম্মদ আসিফ বলেন, এ প্রযুক্তি এত দ্রুত বদলাচ্ছে যে আজকের নীতিমালা খুব দ্রুতই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই নীতিমালা নিয়মিত হালনাগাদ করা এবং বিশেষজ্ঞদের ইনপুট অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি বিদেশে এআই নিয়ে কাজ করা দক্ষদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সেল গঠন করতে হবে।
সব ক্ষেত্রেই এআইয়ের অপব্যবহার রোধে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা। উন্নত বিশ্ব যখন শিক্ষা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন খাতে এর কার্যকর ব্যবহার করছে, বাংলাদেশেও কিছু ক্ষেত্রে এআইয়ের সফল প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। তবে একইসঙ্গে কখনো কখনো এটি হয়ে উঠছে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআইয়ের ব্যবহার নতুন ধরনের উদ্বেগ তৈরি করছে। ডিসইনফরমেশন, মিসইনফরমেশন, ডিপফেক ছবি ও ভিডিওতে ভরে যাচ্ছে অনলাইন জগৎ। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এসব টুলের ব্যবহারও বাড়ছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেরিয়ে সামাজিক নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় এআই-নির্মিত ছবি ঘিরে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
এ পরিস্থিতি সরকারকেও ভাবাচ্ছে। এআই ব্যবহারের লাগাম টানতে গাইডলাইন প্রণয়নের পথে হাঁটছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গাইডলাইন তৈরি করা যায় কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এ ধরনের একটি গাইডলাইন থাকা প্রয়োজন। এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বজুড়েই এআই নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত।
শুধু আইন প্রণয়নই নয়, বরং এআইয়ের সুফল ও কুফল নিয়ে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করবে সরকার। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আইন করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। আইন থাকলেও সবাই তা মানে না। তাই সঠিক তথ্যের প্রচার বাড়াতে হবে এবং জনগণকে প্রশিক্ষিত করতে হবে। এআইয়ের সুফল ও কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি ফ্যাক্ট-চেকিং সক্ষমতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রতিনিয়ত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। তাই শুধু নীতিমালা নয়, বরং বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে আলাদা প্যানেল গঠন করা জরুরি। দি এআই কালেক্টিভের বাংলাদেশ প্রধান মোহাম্মদ আসিফ বলেন, এ প্রযুক্তি এত দ্রুত বদলাচ্ছে যে আজকের নীতিমালা খুব দ্রুতই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই নীতিমালা নিয়মিত হালনাগাদ করা এবং বিশেষজ্ঞদের ইনপুট অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি বিদেশে এআই নিয়ে কাজ করা দক্ষদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সেল গঠন করতে হবে।
সব ক্ষেত্রেই এআইয়ের অপব্যবহার রোধে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।