চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ মে) যে ২৮ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী (বিএসএফ)। এখন তাঁরা সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান নিয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সোয়া ২টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শুক্রবারও ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কোনো অগ্রগতির খবর জানাননি অধিনায়ক।
অধিনায়ক আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ওই ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট বিষয়টি তাঁদের ঊর্ধ্ব ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজিবিকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএসএফ। এ অবস্থায় পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রয়েছে।
পুশ ইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মাইকিং করা হয়। জনগণকে সীমান্ত থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশিরা খাবার দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর বিএসএফ তাঁদের খাবার দেয় বলে জানা গেছে।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২০৩/৬ আর দিয়ে ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশুকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ ইনের চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনের অভ্যন্তরে জঙ্গলাকীর্ণ একটি এলাকায় অবস্থানরত অবস্থায় শনাক্ত করে এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে। এ অবস্থায় গভীর রাত পর্যন্ত তারা মানবেতর অবস্থায় বিরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশে শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। পরে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানায় বিজিবি।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সোয়া ২টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শুক্রবারও ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কোনো অগ্রগতির খবর জানাননি অধিনায়ক।
অধিনায়ক আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ওই ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট বিষয়টি তাঁদের ঊর্ধ্ব ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজিবিকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএসএফ। এ অবস্থায় পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রয়েছে।
পুশ ইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মাইকিং করা হয়। জনগণকে সীমান্ত থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশিরা খাবার দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর বিএসএফ তাঁদের খাবার দেয় বলে জানা গেছে।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২০৩/৬ আর দিয়ে ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশুকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ ইনের চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনের অভ্যন্তরে জঙ্গলাকীর্ণ একটি এলাকায় অবস্থানরত অবস্থায় শনাক্ত করে এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে। এ অবস্থায় গভীর রাত পর্যন্ত তারা মানবেতর অবস্থায় বিরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশে শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। পরে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানায় বিজিবি।