বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে খরা প্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে এগ্রোইকোলজি বা পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ২২ জন কৃষক, সংগঠক ও উদ্যোগী ব্যক্তিকে ‘এগ্রোইকোলজি লিডারশীপ সম্মাননা’ প্রদান করেছে বারসিক (ইঅজঈওক)। কৃষিপ্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষা, দেশীয় বীজ রক্ষা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, লোকজ জ্ঞান ও টেকসই কৃষি চর্চায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মানিত কিষাণ-কিষানী, পরিবেশকর্মীদের মধ্যে এগ্রোইকোলজি নেতৃত্বের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার ময়েনপুর গ্রামে প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও কৃষির ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রতীক হিসেবে প্রায় পাঁচ শতাব্দী প্রাচীন একটি বটবৃক্ষের ছায়াতলে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
উক্ত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল্লাহ আহম্মদ, সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন পাঁচ শতাব্দী প্রাচীন বটবৃক্ষের সুরক্ষাকারী আলহাজ্ব মোঃ মফিজ উদ্দিন, আলহাজ্ব মোঃ আঃ লতিফ, আলহাজ্ব মোঃ আলী আফজাল খাঁ, গ্রীন কোয়ালিশন পবা উপজেলার সভাপতি মোসা. রহিমা বেগম। অনুষ্ঠানের শুরুতে এগ্রোইকোলজি চর্চা, কৃষকদের অবদান ও বারসিকের ভূমিকা বিষয়ক ধারণা বক্তব্য প্রদান করেন বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয় ও কৃষির ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় এগ্রোইকোলজি একটি কার্যকর ও টেকসই পথ। স্থানীয় জ্ঞান, দেশীয় বীজ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে এগ্রোইকোলজি শুধু কৃষিকে নয়, পরিবেশ ও মানুষের জীবনকেও সুরক্ষিত করে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজ নিজ এলাকায় পরিবেশবান্ধব কৃষি, দেশীয় বীজ সংরক্ষণ, কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা এবং টেকসই জীবনচর্চা প্রসারে অনুকরণীয় ভূমিকা পালন করছেন। তাঁদের এই স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতি ও কৃষিবান্ধব উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজকরা বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এগ্রোইকোলজির চর্চা আরও বিস্তৃত করা সময়ের দাবি। এই সম্মাননা সেই আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে মোট ২০টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বীজ বৈচিত্র্য সুরক্ষা ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য তানোর রাজশাহীর কৃষক মো. জায়দুর রহমান; রাজশাহী খরা সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য তানোরের কৃষক নূর মোহাম্মদ; কমিউনিটি বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য পবার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের কৃষাণী মোসা. সুলতানা খাতুনকে; এগ্রোইকোলজি চর্চা, উন্নয়ন ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য তানোরের কৃষক জিতেন্দ্রনাথ সূত্রধরকে; পরিবেশবান্ধব উন্নত চুলা উদ্ভাবন ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য কবুলজান বেগমকে; জৈব বালাই তৈরী ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার কৃষাণী মোসা. সাহানা বেগম; বৃক্ষরোপনে বিশেষ অবদানের জন্য তানোরের কৃষক মো. আলমাস আলী; মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. আব্দুল হামিদ; পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা ও উদ্বুদ্ধকরনে বিশেষ অবদানের জন্য মোসা. বিলকিস বেগম; পাখি সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. মুনসুর আলী; বৈচিত্র্যময় খাদ্য সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য পরি টুডু, গ্রীন ওমেন লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড মোসা. রহিমা বেগম; নগরের পুকুর-জলাধার সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ-ইয়্যাসের সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান; বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের জন্য আব্দুর রহিম, ছাদকৃষিতে বিশেষ অবদানের জন্য সোহাগ আলী; অচাষকৃত উদ্ভিদ সংরক্ষণ ও বর্ধনে বিশেষ অবদানের জন্য মোসা. শ্যামলী বেগম; স্কুল পর্যায়ে বীজ লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা ও নবীণদের মধ্যে কৃষিপ্রাণবৈচিত্র্য জ্ঞান প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য তালন্দ আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়; দেশীয় বীজ বৈচিত্র্য ও বিনিময়ে বিশেষ অবদানের জন্য মোসা. সেতারা বেগম; প্রাচীন বৃক্ষ সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য যৌথভাবে আলহাজ্ব মোঃ মফিজ উদ্দিন, আলহাজ্ব মোঃ আঃ লতিফ, আলহাজ্ব মোঃ আলী আফজাল খাঁ, বৈচিত্র্যময় ঔষধি উদ্ভিদ সংরক্ষণ ও লোকচিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য কবিরাজ আব্দুল করিমকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার ময়েনপুর গ্রামে প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও কৃষির ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রতীক হিসেবে প্রায় পাঁচ শতাব্দী প্রাচীন একটি বটবৃক্ষের ছায়াতলে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
উক্ত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল্লাহ আহম্মদ, সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন পাঁচ শতাব্দী প্রাচীন বটবৃক্ষের সুরক্ষাকারী আলহাজ্ব মোঃ মফিজ উদ্দিন, আলহাজ্ব মোঃ আঃ লতিফ, আলহাজ্ব মোঃ আলী আফজাল খাঁ, গ্রীন কোয়ালিশন পবা উপজেলার সভাপতি মোসা. রহিমা বেগম। অনুষ্ঠানের শুরুতে এগ্রোইকোলজি চর্চা, কৃষকদের অবদান ও বারসিকের ভূমিকা বিষয়ক ধারণা বক্তব্য প্রদান করেন বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয় ও কৃষির ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় এগ্রোইকোলজি একটি কার্যকর ও টেকসই পথ। স্থানীয় জ্ঞান, দেশীয় বীজ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে এগ্রোইকোলজি শুধু কৃষিকে নয়, পরিবেশ ও মানুষের জীবনকেও সুরক্ষিত করে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজ নিজ এলাকায় পরিবেশবান্ধব কৃষি, দেশীয় বীজ সংরক্ষণ, কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা এবং টেকসই জীবনচর্চা প্রসারে অনুকরণীয় ভূমিকা পালন করছেন। তাঁদের এই স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতি ও কৃষিবান্ধব উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজকরা বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এগ্রোইকোলজির চর্চা আরও বিস্তৃত করা সময়ের দাবি। এই সম্মাননা সেই আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে মোট ২০টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বীজ বৈচিত্র্য সুরক্ষা ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য তানোর রাজশাহীর কৃষক মো. জায়দুর রহমান; রাজশাহী খরা সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য তানোরের কৃষক নূর মোহাম্মদ; কমিউনিটি বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য পবার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের কৃষাণী মোসা. সুলতানা খাতুনকে; এগ্রোইকোলজি চর্চা, উন্নয়ন ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য তানোরের কৃষক জিতেন্দ্রনাথ সূত্রধরকে; পরিবেশবান্ধব উন্নত চুলা উদ্ভাবন ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য কবুলজান বেগমকে; জৈব বালাই তৈরী ও প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার কৃষাণী মোসা. সাহানা বেগম; বৃক্ষরোপনে বিশেষ অবদানের জন্য তানোরের কৃষক মো. আলমাস আলী; মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. আব্দুল হামিদ; পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা ও উদ্বুদ্ধকরনে বিশেষ অবদানের জন্য মোসা. বিলকিস বেগম; পাখি সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. মুনসুর আলী; বৈচিত্র্যময় খাদ্য সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য পরি টুডু, গ্রীন ওমেন লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড মোসা. রহিমা বেগম; নগরের পুকুর-জলাধার সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ-ইয়্যাসের সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান; বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের জন্য আব্দুর রহিম, ছাদকৃষিতে বিশেষ অবদানের জন্য সোহাগ আলী; অচাষকৃত উদ্ভিদ সংরক্ষণ ও বর্ধনে বিশেষ অবদানের জন্য মোসা. শ্যামলী বেগম; স্কুল পর্যায়ে বীজ লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা ও নবীণদের মধ্যে কৃষিপ্রাণবৈচিত্র্য জ্ঞান প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য তালন্দ আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়; দেশীয় বীজ বৈচিত্র্য ও বিনিময়ে বিশেষ অবদানের জন্য মোসা. সেতারা বেগম; প্রাচীন বৃক্ষ সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য যৌথভাবে আলহাজ্ব মোঃ মফিজ উদ্দিন, আলহাজ্ব মোঃ আঃ লতিফ, আলহাজ্ব মোঃ আলী আফজাল খাঁ, বৈচিত্র্যময় ঔষধি উদ্ভিদ সংরক্ষণ ও লোকচিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য কবিরাজ আব্দুল করিমকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।