রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর টি-বাঁধ এলাকায় পবা উপজেলার চর মাজারদিয়াড় (আমিরপুর) খেয়াঘাটের ইজারা স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রীরামপুর নদীতীর এলাকায় চর মাজারদিয়াড়ের বাসিন্দারা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, চর মাজারদিয়াড়ে উৎপাদিত কৃষিপণ্য রাজশাহী শহরে বিক্রির জন্য নদী পার করে আনতে হয়। তবে খেয়াঘাটে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন করা হয় না। বরং ইজারাদার পক্ষ নির্ধারিত টোলের চেয়ে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক হারে টাকা আদায় করে থাকে। এর প্রতিবাদ করলে অনেক সময় সাধারণ মানুষকে শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হতে হয় বলেও দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙনে প্রতিবছর এলাকার বিপুল পরিমাণ আবাদযোগ্য জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ফলে কৃষিনির্ভর মানুষের আয় ও জীবিকা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষিপণ্য পরিবহন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত এই খেয়াঘাটের ইজারা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
মানববন্ধনে জানানো হয়, পবা উপজেলার ৪ নং হরিপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চর মাজারদিয়াড় এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের বসবাস| তাদের মধ্যে প্রায় ৯৮ শতাংশই কৃষিজীবী। এলাকায় কোনো গরুর করিডোর কিংবা সীমান্ত পারাপারের পথ নেই। তাই খেটেখাওয়া ও সীমিত আয়ের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় মাজারদিয়াড় (আমিরপুর) খেয়াঘাটের ইজারা স্থায়ীভাবে বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা পায়ে হেঁটে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম-এর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চর মাজারদিয়াড় ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির, অ্যাডভোকেট সেলিম রেজাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রীরামপুর নদীতীর এলাকায় চর মাজারদিয়াড়ের বাসিন্দারা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, চর মাজারদিয়াড়ে উৎপাদিত কৃষিপণ্য রাজশাহী শহরে বিক্রির জন্য নদী পার করে আনতে হয়। তবে খেয়াঘাটে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন করা হয় না। বরং ইজারাদার পক্ষ নির্ধারিত টোলের চেয়ে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক হারে টাকা আদায় করে থাকে। এর প্রতিবাদ করলে অনেক সময় সাধারণ মানুষকে শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হতে হয় বলেও দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙনে প্রতিবছর এলাকার বিপুল পরিমাণ আবাদযোগ্য জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ফলে কৃষিনির্ভর মানুষের আয় ও জীবিকা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষিপণ্য পরিবহন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত এই খেয়াঘাটের ইজারা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
মানববন্ধনে জানানো হয়, পবা উপজেলার ৪ নং হরিপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চর মাজারদিয়াড় এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের বসবাস| তাদের মধ্যে প্রায় ৯৮ শতাংশই কৃষিজীবী। এলাকায় কোনো গরুর করিডোর কিংবা সীমান্ত পারাপারের পথ নেই। তাই খেটেখাওয়া ও সীমিত আয়ের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় মাজারদিয়াড় (আমিরপুর) খেয়াঘাটের ইজারা স্থায়ীভাবে বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা পায়ে হেঁটে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম-এর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চর মাজারদিয়াড় ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির, অ্যাডভোকেট সেলিম রেজাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।