মুসলমানদের দৈনন্দিন ইবাদতের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদে শুধু নামাজ আদায় নয়, বরং নামাজের পর সেখানে অবস্থান ও জিকিরে রত থাকারও বিশেষ ফজিলত রয়েছে বলে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, কোনো মুসলিম ব্যক্তি যতক্ষণ মসজিদে সালাত ও জিকিরে মগ্ন থাকেন, ততক্ষণ আল্লাহ তাআলা তার প্রতি এমনভাবে সন্তুষ্ট হন, যেমন কোনো প্রবাসী ব্যক্তি দীর্ঘদিন পর পরিবারের কাছে ফিরে এলে পরিবার আনন্দিত হয়। (ইবনে মাজাহ: ৮০০)
অন্য একটি হাদিসে বলা হয়েছে, বান্দা যতক্ষণ তার নামাজের স্থানে অবস্থান করে এবং অজু ভঙ্গ না হয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকেন হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ, তাকে রহম করুন। পাশাপাশি, নামাজ তাকে ঘরে ফিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখলেও সে সালাতরত হিসেবে গণ্য হয়। (বুখারি: ৬৫৯)
এছাড়া সাহাবি আবদুর রহমান বিন আমর (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) মাগরিবের নামাজ শেষে দ্রুত উঠে আসেন এবং সুসংবাদ প্রদান করে বলেন, আসমানের একটি দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে এবং ফেরেশতাদের সামনে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের নিয়ে গর্ব করে বলেছেন তারা এক ফরজ আদায় করে পরবর্তী ফরজের অপেক্ষায় রয়েছে। (ইবনে মাজাহ: ৮০১)
ইসলামি আলেমদের মতে, এসব হাদিস মসজিদের সঙ্গে মুসলমানের সম্পর্ককে শুধু নামাজ আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে ইবাদত, জিকির ও অপেক্ষার মধ্যেও বিশেষ মর্যাদা প্রদর্শনের শিক্ষা দেয়।
হাদিস অনুযায়ী, কোনো মুসলিম ব্যক্তি যতক্ষণ মসজিদে সালাত ও জিকিরে মগ্ন থাকেন, ততক্ষণ আল্লাহ তাআলা তার প্রতি এমনভাবে সন্তুষ্ট হন, যেমন কোনো প্রবাসী ব্যক্তি দীর্ঘদিন পর পরিবারের কাছে ফিরে এলে পরিবার আনন্দিত হয়। (ইবনে মাজাহ: ৮০০)
অন্য একটি হাদিসে বলা হয়েছে, বান্দা যতক্ষণ তার নামাজের স্থানে অবস্থান করে এবং অজু ভঙ্গ না হয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকেন হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ, তাকে রহম করুন। পাশাপাশি, নামাজ তাকে ঘরে ফিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখলেও সে সালাতরত হিসেবে গণ্য হয়। (বুখারি: ৬৫৯)
এছাড়া সাহাবি আবদুর রহমান বিন আমর (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) মাগরিবের নামাজ শেষে দ্রুত উঠে আসেন এবং সুসংবাদ প্রদান করে বলেন, আসমানের একটি দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে এবং ফেরেশতাদের সামনে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের নিয়ে গর্ব করে বলেছেন তারা এক ফরজ আদায় করে পরবর্তী ফরজের অপেক্ষায় রয়েছে। (ইবনে মাজাহ: ৮০১)
ইসলামি আলেমদের মতে, এসব হাদিস মসজিদের সঙ্গে মুসলমানের সম্পর্ককে শুধু নামাজ আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে ইবাদত, জিকির ও অপেক্ষার মধ্যেও বিশেষ মর্যাদা প্রদর্শনের শিক্ষা দেয়।