রাজশাহীর তানোরের তালন্দ ইউনিয়নের(ইউপি)কালনা গ্রামে হাঁসে জমির ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত সাদেকুল ইসলাম ও তাঁর পুত্র রিপন উপজেলা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁদের ওপর আবারো হামলা ও মারপিট করেছে প্রতিপক্ষ মামুন বাহিনী।এনিয়ে বিবাদমান দুপক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে হাঁসে জমির ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন ও তাঁর পিতা শামসুদ্দিন বাড়ি থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে সাদেকুল ও তাঁর পুত্র রিপনকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করে। এতে তাঁরা আহত হলে গ্রামবাসী উদ্ধার করে তানোর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যার দিকে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মামুন ও তাঁর মামাতো ভাই তাঁদের পথরোধ করে আবারও হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি নালার মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মামুন ও তাঁর সহযোগীরা।
তবে গ্রামবাসী রিপনের বাবা সাদেকুল ইসলামকে উদ্ধার করতে পারলেও রিপনকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের ওই নালা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তানোর উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে রিপন রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এদিকে এই বর্বরোচিত ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত মামুনের বাড়ি ঘেরাও করে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে হাঁসে জমির ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন ও তাঁর পিতা শামসুদ্দিন বাড়ি থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে সাদেকুল ও তাঁর পুত্র রিপনকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করে। এতে তাঁরা আহত হলে গ্রামবাসী উদ্ধার করে তানোর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যার দিকে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মামুন ও তাঁর মামাতো ভাই তাঁদের পথরোধ করে আবারও হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি নালার মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মামুন ও তাঁর সহযোগীরা।
তবে গ্রামবাসী রিপনের বাবা সাদেকুল ইসলামকে উদ্ধার করতে পারলেও রিপনকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের ওই নালা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তানোর উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে রিপন রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এদিকে এই বর্বরোচিত ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত মামুনের বাড়ি ঘেরাও করে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।