বলিউড কুইন কঙ্গনা রানাউত বর্তমানে তাঁর আসন্ন ছবি 'ভারত ভাগ্য বিধাতা'-র জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন। সম্প্রতি এই বহুল প্রতীক্ষিত ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে, যা দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কঙ্গনা অত্যন্ত খোলাখুলিভাবে জানান, কীভাবে গ্ল্যামার দুনিয়া এবং সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখা একজন নার্সের চরিত্রে নিখুঁত অভিনয় করতে তাঁকে সাহায্য করেছে। অভিনেত্রী স্পষ্ট করেন, যখন তিনি এই চরিত্রটির গভীরে প্রবেশ করেন, তখনই উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে চলচ্চিত্র জগৎ থেকে নিজেকে কিছুদিন দূরে রাখাটা তাঁর জন্য ঠিক কতটা জরুরি ছিল।
ট্রেলার লঞ্চের মঞ্চে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘আমরা আসলে রুপোলী পর্দার এক কাল্পনিক বুদবুদের মধ্যে বাস করি, যা আমাদের রূঢ় বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে সরিয়ে রাখে। তাই এই বিশেষ চরিত্রটি করার সময় আমি বুঝতে পারি, সিনেমা জগত থেকে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করা আমার খুব প্রয়োজন ছিল।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে কাজ করার সুবাদে আমি একদম সাধারণ মানুষের খুব কাছাকাছি যাওয়ার এবং তাঁদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। আমি নিজেকে একজন মস্ত বড় মাপের অভিনেতা ভাবতেই পারি, কিন্তু সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবনের সুখ-দুঃখের সাথে যদি আমার সংযোগই না থাকে, তবে এই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে আমি পুরোপুরি ব্যর্থ হব।’
নিজের যাপিত জীবন ও চরিত্রের মেলবন্ধন নিয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘আপনি প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে জিমে গিয়ে এবং প্রোটিন শেক পান করে একটি কৃত্রিম বুদবুদের মধ্যে জীবন কাটিয়ে দিতেই পারেন, কিন্তু তাতে সাধারণ মানুষের আসল জীবনটা কেমন, তা কখনওই জানতে পারবেন না। আমি নিজে একটি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছি ঠিকই, তবে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করার পর অনেকগুলো বছর কেটে গিয়েছে। তাই এই নার্সের চরিত্রটি রূপায়ণের মাধ্যমে আমি এক ধরনের প্রায়শ্চিত্ত করতে চেয়েছিলাম।’
মনোজ তাপদিয়া পরিচালিত 'ভারত ভাগ্য বিধাতা' ছবিটি আগামী ১২ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। এই ছবিতে কঙ্গনাকে একজন কর্তব্যপরায়ণ নার্সের ভূমিকায় দেখা যাবে, যেখানে ২০০৮ সালের ভয়াবহ মুম্বই হামলার প্রেক্ষাপটে তৎকালীন নার্স এবং চিকিৎসা কর্মীদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের অবিস্মরণীয় ভূমিকাকে সেলুলয়েডে তুলে ধরা হয়েছে।
ট্রেলারটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ছবিটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে চড়েছে। কঙ্গনার এই শক্তিশালী অবতার দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে, যার প্রমাণ মিলছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। ট্রেলার দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে একজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘বলিউডের রানি অবশেষে ফিরে এসেছেন।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘নিজের ছবি হিট করানোর জন্য কঙ্গনার ১০০ কোটি টাকার বিগ বাজেটের প্রয়োজন নেই, তিনি আমাদের কাছে সব সময়ই হিট ছিলেন এবং থাকবেন।’ ট্রেলারের আবেগঘন দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ট্রেলারটি দেখে আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল, চোখের কোণে জল এসে গিয়েছিল।’
ট্রেলার লঞ্চের মঞ্চে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘আমরা আসলে রুপোলী পর্দার এক কাল্পনিক বুদবুদের মধ্যে বাস করি, যা আমাদের রূঢ় বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে সরিয়ে রাখে। তাই এই বিশেষ চরিত্রটি করার সময় আমি বুঝতে পারি, সিনেমা জগত থেকে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করা আমার খুব প্রয়োজন ছিল।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে কাজ করার সুবাদে আমি একদম সাধারণ মানুষের খুব কাছাকাছি যাওয়ার এবং তাঁদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। আমি নিজেকে একজন মস্ত বড় মাপের অভিনেতা ভাবতেই পারি, কিন্তু সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবনের সুখ-দুঃখের সাথে যদি আমার সংযোগই না থাকে, তবে এই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে আমি পুরোপুরি ব্যর্থ হব।’
নিজের যাপিত জীবন ও চরিত্রের মেলবন্ধন নিয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘আপনি প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে জিমে গিয়ে এবং প্রোটিন শেক পান করে একটি কৃত্রিম বুদবুদের মধ্যে জীবন কাটিয়ে দিতেই পারেন, কিন্তু তাতে সাধারণ মানুষের আসল জীবনটা কেমন, তা কখনওই জানতে পারবেন না। আমি নিজে একটি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছি ঠিকই, তবে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করার পর অনেকগুলো বছর কেটে গিয়েছে। তাই এই নার্সের চরিত্রটি রূপায়ণের মাধ্যমে আমি এক ধরনের প্রায়শ্চিত্ত করতে চেয়েছিলাম।’
মনোজ তাপদিয়া পরিচালিত 'ভারত ভাগ্য বিধাতা' ছবিটি আগামী ১২ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। এই ছবিতে কঙ্গনাকে একজন কর্তব্যপরায়ণ নার্সের ভূমিকায় দেখা যাবে, যেখানে ২০০৮ সালের ভয়াবহ মুম্বই হামলার প্রেক্ষাপটে তৎকালীন নার্স এবং চিকিৎসা কর্মীদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের অবিস্মরণীয় ভূমিকাকে সেলুলয়েডে তুলে ধরা হয়েছে।
ট্রেলারটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ছবিটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে চড়েছে। কঙ্গনার এই শক্তিশালী অবতার দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে, যার প্রমাণ মিলছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। ট্রেলার দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে একজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘বলিউডের রানি অবশেষে ফিরে এসেছেন।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘নিজের ছবি হিট করানোর জন্য কঙ্গনার ১০০ কোটি টাকার বিগ বাজেটের প্রয়োজন নেই, তিনি আমাদের কাছে সব সময়ই হিট ছিলেন এবং থাকবেন।’ ট্রেলারের আবেগঘন দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ট্রেলারটি দেখে আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল, চোখের কোণে জল এসে গিয়েছিল।’