ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গ্রাম আদালত বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (৩ জুন) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাহিম উদ্দিন,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী, প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলম,সাবেক সভাপতি মোবারক আলী, গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী রাশেদা আকতার (ইএসডিও) কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধগুলো স্থানীয়ভাবে, অল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে যেমন আদালতের ওপর মামলার জট কমে, তেমনি সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেকেই এখনও গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন।
গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে এবং এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ে পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এনজিও, শিক্ষক, ইমাম ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের একযোগে কাজ করতে হবে। গ্রামীণ পর্যায়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে পারলে মানুষ ছোটখাটো বিরোধের জন্য থানায় বা জেলা আদালতে না গিয়ে গ্রাম আদালতের শরণাপন্ন হবে।
উপস্থিত ছিলেন যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, বে- সরকারি সংস্থা ওয়াল্ড ভিশন,মানব কল্যান পরিষদ, ব্যাক,ইএসডিও, সিডিএর প্রতিনিধিরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাহিম উদ্দিন,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী, প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলম,সাবেক সভাপতি মোবারক আলী, গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী রাশেদা আকতার (ইএসডিও) কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধগুলো স্থানীয়ভাবে, অল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে যেমন আদালতের ওপর মামলার জট কমে, তেমনি সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেকেই এখনও গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন।
গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে এবং এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ে পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এনজিও, শিক্ষক, ইমাম ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের একযোগে কাজ করতে হবে। গ্রামীণ পর্যায়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে পারলে মানুষ ছোটখাটো বিরোধের জন্য থানায় বা জেলা আদালতে না গিয়ে গ্রাম আদালতের শরণাপন্ন হবে।
উপস্থিত ছিলেন যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, বে- সরকারি সংস্থা ওয়াল্ড ভিশন,মানব কল্যান পরিষদ, ব্যাক,ইএসডিও, সিডিএর প্রতিনিধিরা।