রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বরের একটি বাসায় বসবাস করতেন ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগম ও তার স্কুলশিক্ষিকা মেয়ে। গত রোববার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে বৃদ্ধা ওই মায়ের পচা-গলা-পোকা ধরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তবে মায়ের সঙ্গে একই বাসায় পাশাপাশি রুমে বসবাস করলেও মৃত্যুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেননি মেয়ে।
পুলিশ বলছে, ওই বৃদ্ধা নারী তিন সন্তানের জননি। বড় ছেলে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব। অন্য আরেক সন্তান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং মেয়ে স্কুলের শিক্ষিকা। নুরজাহান বেগমের দুই ছেলে আলাদা থাকতেন। মায়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না তাদের। তবে মায়ের পাশের কক্ষে বসবাস করা মেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ। ওই বৃদ্ধার স্বামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির এ তথ্য জানান। গত রোববার ওই বৃদ্ধার দেখাশোনার দায়িত্বরত নার্স জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পচা-গলা-পোকা ধরা মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, পুরো বাসাটি ছিল নোংরা, অগোছালো, দুর্গন্ধযুক্ত ও ডাস্টবিনের নোংরা ছড়ানো ছিটানো।
মো. হাসান বাসির আরও বলেন, ওই বৃদ্ধা তার মেয়ের কাছে থাকতেন। মেয়েটা মানসিকভাবে হয়তো একটু অসুস্থ। বাসাবাড়ি একদম নোংরা। সেখানে একটা রুমে বৃদ্ধা ওই নারী থাকতেন। তার দেখাশোনার জন্য একজন নার্সকে ডাকা হয়েছিল। নার্স এসে দেখেন ওই বৃদ্ধা অনেক আগেই মারা গেছেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানান তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বৃদ্ধার পোকা ধরা মরদেহ দেখতে পায়। আরও কয়েকদিন আগেই হয়তোবা মারা গেছেন তিনি। ওনার স্বজনেরা টেরই পাননি।
মা-মেয়ে একই বাসায় পাশাপাশি রুমে থাকতো জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি একদম নোংরা, একদম ডাস্টবিনের মতো অবস্থা। মেয়ে হয়তোবা মানসিকভাবে একটু অসুস্থ।
ওসি মো. হাসান বাসির বলেন, লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। স্বজনেরা এরই মধ্যে সম্ভবত মরদেহ দাফন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
বৃদ্ধার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কি বলবো, এবনরমাল টাইপ (অস্বাভাবিক ধরনের) সব ভাইবোনরা। তার যে ছেলে বুয়েটের টিচার তাকে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার বড় ভাইয়ের মোবাইল নম্বর দেন, তিনি আমাকে দেখি একটা সিটি সেল নম্বর বের করে দিছেন। সেই ২০১১ সালে যে সিটি সেল বন্ধ হয়ে গেছে। মানে ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের যোগাযোগ নাই। তার কাছে তার ভাইয়ের কোনো কারেন্ট নম্বর নেই।
তবে মায়ের সঙ্গে একই বাসায় পাশাপাশি রুমে বসবাস করলেও মৃত্যুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেননি মেয়ে।
পুলিশ বলছে, ওই বৃদ্ধা নারী তিন সন্তানের জননি। বড় ছেলে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব। অন্য আরেক সন্তান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং মেয়ে স্কুলের শিক্ষিকা। নুরজাহান বেগমের দুই ছেলে আলাদা থাকতেন। মায়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না তাদের। তবে মায়ের পাশের কক্ষে বসবাস করা মেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ। ওই বৃদ্ধার স্বামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির এ তথ্য জানান। গত রোববার ওই বৃদ্ধার দেখাশোনার দায়িত্বরত নার্স জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পচা-গলা-পোকা ধরা মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, পুরো বাসাটি ছিল নোংরা, অগোছালো, দুর্গন্ধযুক্ত ও ডাস্টবিনের নোংরা ছড়ানো ছিটানো।
মো. হাসান বাসির আরও বলেন, ওই বৃদ্ধা তার মেয়ের কাছে থাকতেন। মেয়েটা মানসিকভাবে হয়তো একটু অসুস্থ। বাসাবাড়ি একদম নোংরা। সেখানে একটা রুমে বৃদ্ধা ওই নারী থাকতেন। তার দেখাশোনার জন্য একজন নার্সকে ডাকা হয়েছিল। নার্স এসে দেখেন ওই বৃদ্ধা অনেক আগেই মারা গেছেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানান তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বৃদ্ধার পোকা ধরা মরদেহ দেখতে পায়। আরও কয়েকদিন আগেই হয়তোবা মারা গেছেন তিনি। ওনার স্বজনেরা টেরই পাননি।
মা-মেয়ে একই বাসায় পাশাপাশি রুমে থাকতো জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি একদম নোংরা, একদম ডাস্টবিনের মতো অবস্থা। মেয়ে হয়তোবা মানসিকভাবে একটু অসুস্থ।
ওসি মো. হাসান বাসির বলেন, লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। স্বজনেরা এরই মধ্যে সম্ভবত মরদেহ দাফন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
বৃদ্ধার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কি বলবো, এবনরমাল টাইপ (অস্বাভাবিক ধরনের) সব ভাইবোনরা। তার যে ছেলে বুয়েটের টিচার তাকে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার বড় ভাইয়ের মোবাইল নম্বর দেন, তিনি আমাকে দেখি একটা সিটি সেল নম্বর বের করে দিছেন। সেই ২০১১ সালে যে সিটি সেল বন্ধ হয়ে গেছে। মানে ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের যোগাযোগ নাই। তার কাছে তার ভাইয়ের কোনো কারেন্ট নম্বর নেই।