নোয়াখালীর সদর উপজেলার একটি ভবনের চারটি ফ্ল্যাটে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১০ লাখ টাকা লুট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সোমবার (১ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ফকিরপুর এলাকার আলম মঞ্জিল ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও ভবনের মালিক মাহমুদ হোসেন জানান, ঈদের ছুটিতে তার পরিবারসহ ভবনের আরও তিনটি পরিবার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিল। শুধু মানিক নামে এক ভাড়াটিয়ার পরিবার ফ্ল্যাটে ছিল। দুপুর দেড়টার দিকে তারাও একটি দাওয়াতে গেলে ভবনটি ফাঁকা হয়ে যায়। এ সুযোগে চোরের দল ভবনের প্রধান ফটক ও কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে চারটি ফ্ল্যাটের দরজার হ্যাজ বোল্ট কেটে কক্ষে ঢুকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। বিকেল ৩টার দিকে বাসায় ফিরে ভাড়াটিয়ারা প্রধান ফটকের দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি ফ্ল্যাটের কক্ষ তছনছ অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল হক বলেন, চুরির ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সোমবার (১ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ফকিরপুর এলাকার আলম মঞ্জিল ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও ভবনের মালিক মাহমুদ হোসেন জানান, ঈদের ছুটিতে তার পরিবারসহ ভবনের আরও তিনটি পরিবার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিল। শুধু মানিক নামে এক ভাড়াটিয়ার পরিবার ফ্ল্যাটে ছিল। দুপুর দেড়টার দিকে তারাও একটি দাওয়াতে গেলে ভবনটি ফাঁকা হয়ে যায়। এ সুযোগে চোরের দল ভবনের প্রধান ফটক ও কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে চারটি ফ্ল্যাটের দরজার হ্যাজ বোল্ট কেটে কক্ষে ঢুকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। বিকেল ৩টার দিকে বাসায় ফিরে ভাড়াটিয়ারা প্রধান ফটকের দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি ফ্ল্যাটের কক্ষ তছনছ অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল হক বলেন, চুরির ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।