গত বছরই মা হয়েছেন কিয়ারা আডবাণী। মেয়ে সরায়াহের বয়স এখন ১০ মাস। প্রথম ছ’মাস খুবই মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন কিয়ারা। ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠতেন। যদিও সে সময়ে পাশে পেয়েছেন স্বামী সিদ্ধার্থ মলহোত্রকে। তবে গর্ভে সন্তান থাকার সময় যত না এক জন মেয়ের পাশে থাকা দরকার, সন্তান জন্ম নেওয়ার পর অনেক বেশি তাঁর পরিবারকে প্রয়োজন।
কিয়ারা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানালেন, যত ক্ষণ সন্তান গর্ভে আছে তত ক্ষণ একটি মেয়ে সমাজের চোখে দেবী। যেই সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়, তার পর থেকেই শুরু হয় তাঁর চেহারা নিয়ে কাটাছেঁড়া। যে কোনও মেয়েরই সন্তান জন্ম দেওয়ার পর ওজন বৃদ্ধি পায়। বেশ পৃথুল হয়ে পড়ে চেহারা। কিয়ারাও তাঁর অন্যথা নন। তবে সন্তান হওয়ার সময় তাই তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। মেয়ে জন্মের প্রায় সাত মাস বাদে প্রকাশ্যে আসেন তিনি। মা হওয়ার পর কী ভাবে এত দ্রুত ওজন কমাতে পারলেন অভিনেত্রী, তা নিয়েও কম কথা শুনতে হয়নি তাঁকে।
কিয়ারার কথায়, ‘‘যখন আপনি অন্তঃসত্ত্বা থাকেন, তখন আপনি এক দেবীর মতো। ‘উফ্ কী সুন্দর লাগছে’, ‘ত্বকের ঔজ্বল্য বেড়ে গিয়েছে’ ইত্যাদি কথার তরঙ্গে ভেসে যেতে হয়। কিন্তু সন্তান প্রসব করার পরমুহূর্তেই এই সমাজ আশা করে যে, আপনি আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন বা বলা ভাল আগের চেহারায় ফিরে আসবেন। কিন্তু একজন নারীর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়টা হলো মা হওয়ার পরের সময়টা। আর ঠিক সেই সময়েই তাঁর সহায়তার প্রয়োজন হয়।”
অভিনেত্রী আরও বলেন যে, ‘‘মাতৃত্ব মানে শুধু সন্তান লালন-পালন করাই নয়, বরং যে নারী নতুন ভূমিকায় পা রাখছেন, সেই নারীকে সমর্থন করাও বটে।’’ সন্তান মানুষ করতে যেন অনেকের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তেমন একটা মায়ের ভাল থাকার জন্য প্রয়োজন সমাজের সহযোগিতা।
কিয়ারা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানালেন, যত ক্ষণ সন্তান গর্ভে আছে তত ক্ষণ একটি মেয়ে সমাজের চোখে দেবী। যেই সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়, তার পর থেকেই শুরু হয় তাঁর চেহারা নিয়ে কাটাছেঁড়া। যে কোনও মেয়েরই সন্তান জন্ম দেওয়ার পর ওজন বৃদ্ধি পায়। বেশ পৃথুল হয়ে পড়ে চেহারা। কিয়ারাও তাঁর অন্যথা নন। তবে সন্তান হওয়ার সময় তাই তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। মেয়ে জন্মের প্রায় সাত মাস বাদে প্রকাশ্যে আসেন তিনি। মা হওয়ার পর কী ভাবে এত দ্রুত ওজন কমাতে পারলেন অভিনেত্রী, তা নিয়েও কম কথা শুনতে হয়নি তাঁকে।
কিয়ারার কথায়, ‘‘যখন আপনি অন্তঃসত্ত্বা থাকেন, তখন আপনি এক দেবীর মতো। ‘উফ্ কী সুন্দর লাগছে’, ‘ত্বকের ঔজ্বল্য বেড়ে গিয়েছে’ ইত্যাদি কথার তরঙ্গে ভেসে যেতে হয়। কিন্তু সন্তান প্রসব করার পরমুহূর্তেই এই সমাজ আশা করে যে, আপনি আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন বা বলা ভাল আগের চেহারায় ফিরে আসবেন। কিন্তু একজন নারীর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়টা হলো মা হওয়ার পরের সময়টা। আর ঠিক সেই সময়েই তাঁর সহায়তার প্রয়োজন হয়।”
অভিনেত্রী আরও বলেন যে, ‘‘মাতৃত্ব মানে শুধু সন্তান লালন-পালন করাই নয়, বরং যে নারী নতুন ভূমিকায় পা রাখছেন, সেই নারীকে সমর্থন করাও বটে।’’ সন্তান মানুষ করতে যেন অনেকের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তেমন একটা মায়ের ভাল থাকার জন্য প্রয়োজন সমাজের সহযোগিতা।