আক্ষেপটা করতেই পারেন ভৈভাব সুরিয়াভানশি। দুর্দান্ত একটা মৌসুম কাটানোর পরও আইপিএল শিরোপা জয়ের স্বাদ পাননি। তাঁর দল রাজস্থান রয়্যালস বাদ পড়েছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে।
তবে দলগত শিরোপা জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত অর্জনে ষোলোকলা পূর্ণ করেছেন ১৫ বছর বয়সী এ বিস্ময় বালক। ইতিহাস গড়ে একাই জিতেছেন পাঁচটি পুরস্কার।
টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ (৭৭৬) রানের পুরস্কার, ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিংয়ের জন্য সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন, টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৭২ ছক্কার জন্য সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন পুরস্কার তো জিতেছেনই। সেই সঙ্গে জিতেছেন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় (এমভিপি) ও উদীয়মান সেরা খেলোয়াড়ের (বেস্ট ইমার্জিং প্লেয়ার) পুরস্কার। সুরিয়াভানশি-ই প্রথম ক্রিকেটার, যিনি আইপিএলের এক মৌসুমে এমভিপি ও উদীয়মান খেলোয়াড়- দুটি পুরস্কারই জিতেছেন।
এবারের আইপিএলে হইচই ফেলে দেওয়া সুরিয়াভানশি সবমিলিয়ে ১৬ ইনিংস ব্যাটিং করেছেন। তাতে ১ সেঞ্চুরি ও ৫টি হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৮.৫০ গড়ে ৭৭৬ রান করেছেন। স্ট্রাইকরেট চোখ কপালে তোলার মতো- ২৩৭.৩০। যে ৫টি ফিফটি করেছেন, তার তিনবারই আউট হয়েছেন ৯০ পেরিয়ে যাওয়ার পর!
আইপিএলে এবার ছক্কার নতুন রেকর্ড গড়েছেন সুরিয়াভানশি। এর আগে আইপিএলের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড ছিল ক্রিস গেইলের (৫৯)। সেই রেকর্ড অতীত বানিয়েছেন ১৫ বছর বয়সী সুরিয়াভানশি।
গতকাল ফাইনালের পর পুরস্কার নিতে গিয়ে সুরিয়াভানশি বলেছেন, ‘ভালো লাগছে, যদিও সাক্ষাৎকার দিতে হচ্ছে বলে কিছুটা চাপও আছে। এটা গর্বের মুহূর্ত। আগামী মৌসুমেও ভালো করার চেষ্টা করব। আমি নিজের খেলায় বিশ্বাস রাখি। বল যদি মারার মতো জায়গায় থাকে, তাহলে পুরো শক্তি দিয়েই মারার চেষ্টা করি।’
দুর্দান্ত একটা মৌসুম কাটানোর পর শুধু পুরস্কারই নয়, বেশ কিছু শিক্ষাও পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুরিয়াভানশি, ‘চাপের মধ্যে কীভাবে খেলতে হয়, প্রতিটি ম্যাচে কীভাবে নিজেকে বদলাতে হয়—এসব শিখেছি। সব ম্যাচ একইভাবে খেলা যায় না। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে এবং দলের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলতে হয়। এটাই এই মৌসুম থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা।’
সুরিয়াভানশি নিজেও জানেন, তাঁর ক্যারিয়ারের সবে শুরু। ক্যারিয়ার দীর্ঘ করতে হলে চোট এড়িয়ে চলতে হবে। এ প্রসঙ্গে ১৫ বছর বয়সী এ বিস্ময়বালক বলেছেন, ‘এ দিকেও (ফিটনেস) আমার মনোযোগ আছে। দীর্ঘ সময় খেলতে হলে চোট এড়িয়ে চলতে হবে। এজন্য ফিটনেস নিয়ে আরও কাজ করতে হবে এবং বেশি মনোযোগ দিতে হবে।’
তবে দলগত শিরোপা জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত অর্জনে ষোলোকলা পূর্ণ করেছেন ১৫ বছর বয়সী এ বিস্ময় বালক। ইতিহাস গড়ে একাই জিতেছেন পাঁচটি পুরস্কার।
টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ (৭৭৬) রানের পুরস্কার, ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিংয়ের জন্য সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন, টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৭২ ছক্কার জন্য সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন পুরস্কার তো জিতেছেনই। সেই সঙ্গে জিতেছেন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় (এমভিপি) ও উদীয়মান সেরা খেলোয়াড়ের (বেস্ট ইমার্জিং প্লেয়ার) পুরস্কার। সুরিয়াভানশি-ই প্রথম ক্রিকেটার, যিনি আইপিএলের এক মৌসুমে এমভিপি ও উদীয়মান খেলোয়াড়- দুটি পুরস্কারই জিতেছেন।
এবারের আইপিএলে হইচই ফেলে দেওয়া সুরিয়াভানশি সবমিলিয়ে ১৬ ইনিংস ব্যাটিং করেছেন। তাতে ১ সেঞ্চুরি ও ৫টি হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৮.৫০ গড়ে ৭৭৬ রান করেছেন। স্ট্রাইকরেট চোখ কপালে তোলার মতো- ২৩৭.৩০। যে ৫টি ফিফটি করেছেন, তার তিনবারই আউট হয়েছেন ৯০ পেরিয়ে যাওয়ার পর!
আইপিএলে এবার ছক্কার নতুন রেকর্ড গড়েছেন সুরিয়াভানশি। এর আগে আইপিএলের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড ছিল ক্রিস গেইলের (৫৯)। সেই রেকর্ড অতীত বানিয়েছেন ১৫ বছর বয়সী সুরিয়াভানশি।
গতকাল ফাইনালের পর পুরস্কার নিতে গিয়ে সুরিয়াভানশি বলেছেন, ‘ভালো লাগছে, যদিও সাক্ষাৎকার দিতে হচ্ছে বলে কিছুটা চাপও আছে। এটা গর্বের মুহূর্ত। আগামী মৌসুমেও ভালো করার চেষ্টা করব। আমি নিজের খেলায় বিশ্বাস রাখি। বল যদি মারার মতো জায়গায় থাকে, তাহলে পুরো শক্তি দিয়েই মারার চেষ্টা করি।’
দুর্দান্ত একটা মৌসুম কাটানোর পর শুধু পুরস্কারই নয়, বেশ কিছু শিক্ষাও পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুরিয়াভানশি, ‘চাপের মধ্যে কীভাবে খেলতে হয়, প্রতিটি ম্যাচে কীভাবে নিজেকে বদলাতে হয়—এসব শিখেছি। সব ম্যাচ একইভাবে খেলা যায় না। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে এবং দলের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলতে হয়। এটাই এই মৌসুম থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা।’
সুরিয়াভানশি নিজেও জানেন, তাঁর ক্যারিয়ারের সবে শুরু। ক্যারিয়ার দীর্ঘ করতে হলে চোট এড়িয়ে চলতে হবে। এ প্রসঙ্গে ১৫ বছর বয়সী এ বিস্ময়বালক বলেছেন, ‘এ দিকেও (ফিটনেস) আমার মনোযোগ আছে। দীর্ঘ সময় খেলতে হলে চোট এড়িয়ে চলতে হবে। এজন্য ফিটনেস নিয়ে আরও কাজ করতে হবে এবং বেশি মনোযোগ দিতে হবে।’