ইরানের সঙ্গে চলতে থাকা কূটনৈতিক আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যে কোনও চুক্তির মূল শর্ত হবে— ইরান কোনওভাবেই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। সেই নিশ্চয়তা না মিললে সই করা হবে না কোনও সমঝোতায়।
শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে এবং ভাল চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে দুই পক্ষ। তাঁর দাবি, ইরানও পরমাণু অস্ত্র না রাখার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।'
তাড়াহুড়ো করে চুক্তি করলে তা কার্যকর হয় না। তাই আমেরিকা ধীরে ধীরে নিজেদের লক্ষ্যপূরণের দিকে এগোচ্ছে। যাই হয়ে যাক, ইরানকে চাপে রেখেছেন ট্রাম্প। তাঁর হুঁশিয়ারি, আলোচনার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফল না মিললে অন্য পথও খোলা রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ইরানের সামরিক শক্তি নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ইরানের নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবেই ইরানের সামরিক বাহিনীর একটি বড় অংশকে সরাসরি নিশানা করা হয়নি। কারণ, ওয়াশিংটনের ধারণা ছিল সেনাবাহিনীর কিছু অংশ তুলনামূলকভাবে সংযত অবস্থানে রয়েছে।
এনিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'যুদ্ধের সময় কোনও দেশের সমস্ত কাঠামো ধ্বংস করে দিলে দীর্ঘমেয়াদে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।অতীতে এমন ভুলের ফল বহু বছর ধরে ভুগতে হয়েছে।' উদাহরণ হিসেবে তিনি ইরাকের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একাংশেরও কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মার্কিন সাফল্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাটো করে দেখানো হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে বড় সাফল্য এলেও সংবাদমাধ্যম তার উল্টো ছবি তুলে ধরে বলে দাবি তাঁর।
হোয়াইট হাউসে সম্প্রতি দুই ঘণ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হলেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় এখনও কোনও বড় অগ্রগতি হয়নি। মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল সেই চুক্তিতেই সম্মতি দেবেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং তাঁর নির্ধারিত শর্তগুলিকে পূরণ করবে।
অন্যদিকে, তেহরানও জানিয়েছে যে এখনও কোনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। ফলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চললেও শান্তিচুক্তির পথ এখনও পুরোপুরি মসৃণ নয়। পরমাণু কর্মসূচি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আস্থার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে মতপার্থক্য এখনও রয়ে গিয়েছে।
শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে এবং ভাল চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে দুই পক্ষ। তাঁর দাবি, ইরানও পরমাণু অস্ত্র না রাখার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।'
তাড়াহুড়ো করে চুক্তি করলে তা কার্যকর হয় না। তাই আমেরিকা ধীরে ধীরে নিজেদের লক্ষ্যপূরণের দিকে এগোচ্ছে। যাই হয়ে যাক, ইরানকে চাপে রেখেছেন ট্রাম্প। তাঁর হুঁশিয়ারি, আলোচনার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফল না মিললে অন্য পথও খোলা রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ইরানের সামরিক শক্তি নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ইরানের নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবেই ইরানের সামরিক বাহিনীর একটি বড় অংশকে সরাসরি নিশানা করা হয়নি। কারণ, ওয়াশিংটনের ধারণা ছিল সেনাবাহিনীর কিছু অংশ তুলনামূলকভাবে সংযত অবস্থানে রয়েছে।
এনিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'যুদ্ধের সময় কোনও দেশের সমস্ত কাঠামো ধ্বংস করে দিলে দীর্ঘমেয়াদে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।অতীতে এমন ভুলের ফল বহু বছর ধরে ভুগতে হয়েছে।' উদাহরণ হিসেবে তিনি ইরাকের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একাংশেরও কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মার্কিন সাফল্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাটো করে দেখানো হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে বড় সাফল্য এলেও সংবাদমাধ্যম তার উল্টো ছবি তুলে ধরে বলে দাবি তাঁর।
হোয়াইট হাউসে সম্প্রতি দুই ঘণ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হলেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় এখনও কোনও বড় অগ্রগতি হয়নি। মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল সেই চুক্তিতেই সম্মতি দেবেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং তাঁর নির্ধারিত শর্তগুলিকে পূরণ করবে।
অন্যদিকে, তেহরানও জানিয়েছে যে এখনও কোনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। ফলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চললেও শান্তিচুক্তির পথ এখনও পুরোপুরি মসৃণ নয়। পরমাণু কর্মসূচি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আস্থার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে মতপার্থক্য এখনও রয়ে গিয়েছে।