দিল্লির মেহরৌলি এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি ৫ তলা বাড়ি। এলাকা ধুলোয় ঢেকে যায়। উদ্ধারকাজ দ্রুত শুরু হলেও ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া সকলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘটনায় ৯ জনের এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে। এখনও উদ্ধার চলছে। আর কেউ আটকে আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হঠাৎ করেই একটি পাঁচতলা পুরনো বাড়িটি ভেঙে পড়ে। ধসে পড়া বাড়ির কিছু অংশ পাশের একটি কাঠামোর উপর গিয়ে পড়ে। সেখানে চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের একটি খাবারঘর চলত। ফলে একাধিক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন।
নিখোঁজ এক ব্যক্তির আত্মীয়া প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, 'পরিবারের সদস্যদের খোঁজ জানতে চাইলেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ আসার আগেই স্থানীয় বাসিন্দারাই উদ্ধারকাজে বেশি ভূমিকা নিয়েছিলেন। তিনজনকে স্থানীয়রাই উদ্ধার করেন, অথচ পুলিশের তরফে মাত্র দু’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নির্মাণ করা হচ্ছিল কিন্তু প্রশাসনের তরফে কিছুই করা হয়নি। করলে এটা আজ দেখতে হত না।'
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখা হলেও পরিস্থিতির ভয়াবহতা দ্রুত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিদেশে চিকিৎসাবিদ্যা পড়ুয়াদের সংগঠনের সভাপতি ডা. যশবন্ত জানান, অন্তত দু’জনের মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল। পরে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।
দক্ষিণ দিল্লির উপ-পুলিশ কমিশনার অনন্ত মিত্তল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেহরৌলি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জেলা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দমকল বিভাগ এবং দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট সুনীল কুমার সিংহ বলেন, 'ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এখনও পর্যন্ত নতুন করে কাউকে শনাক্ত করা যায়নি, তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'
নাগরিক প্রতিরক্ষা দফতরের উপ-মুখ্য ওয়ার্ডেন ধর্মবীর সেজওয়ালের বক্তব্য, এটি একটি বাণিজ্যিক এলাকা। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ। প্রশাসনের আশা, দ্রুত সকলকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হঠাৎ করেই একটি পাঁচতলা পুরনো বাড়িটি ভেঙে পড়ে। ধসে পড়া বাড়ির কিছু অংশ পাশের একটি কাঠামোর উপর গিয়ে পড়ে। সেখানে চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের একটি খাবারঘর চলত। ফলে একাধিক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন।
নিখোঁজ এক ব্যক্তির আত্মীয়া প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, 'পরিবারের সদস্যদের খোঁজ জানতে চাইলেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ আসার আগেই স্থানীয় বাসিন্দারাই উদ্ধারকাজে বেশি ভূমিকা নিয়েছিলেন। তিনজনকে স্থানীয়রাই উদ্ধার করেন, অথচ পুলিশের তরফে মাত্র দু’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নির্মাণ করা হচ্ছিল কিন্তু প্রশাসনের তরফে কিছুই করা হয়নি। করলে এটা আজ দেখতে হত না।'
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখা হলেও পরিস্থিতির ভয়াবহতা দ্রুত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিদেশে চিকিৎসাবিদ্যা পড়ুয়াদের সংগঠনের সভাপতি ডা. যশবন্ত জানান, অন্তত দু’জনের মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল। পরে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।
দক্ষিণ দিল্লির উপ-পুলিশ কমিশনার অনন্ত মিত্তল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেহরৌলি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জেলা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দমকল বিভাগ এবং দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট সুনীল কুমার সিংহ বলেন, 'ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এখনও পর্যন্ত নতুন করে কাউকে শনাক্ত করা যায়নি, তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'
নাগরিক প্রতিরক্ষা দফতরের উপ-মুখ্য ওয়ার্ডেন ধর্মবীর সেজওয়ালের বক্তব্য, এটি একটি বাণিজ্যিক এলাকা। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ। প্রশাসনের আশা, দ্রুত সকলকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।