গরমের মরসুমে বাড়তি আর্দ্রতা মানেই তৈলাক্ত ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা শুরু হয়। শীতের মরসুমে তেলতেলে ত্বক সুবিধার হলেও, গরমকালে হয় সমস্যা। যতই মুখ ধোয়া, রূপচর্চা করা হোক না কেন, রোদে বেরোলেই ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়ে ওঠে। ঘুম থেকে ওঠার পরেও কপাল, নাকের পাশে যেন মনে হয়ে কেউ তেলের প্রলেপ দিয়েছে। সমস্যার শেষ এখানেই নয়। এমন ত্বকে সংক্রমণের ভয় বেশি। অতিরিক্ত তেলের কারণে মুখের সূক্ষ্ম রন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেও দেখা দেয় বিপত্তি। ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। র্যাশ, ফুস্কুড়িও হয়। কারণ, ত্বকের তেলভাব প্রচুর ধুলো-ময়লা টেনে নেয়।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য রকমারি প্যাক, প্রসাধনী রয়েছে। তবে অনেক সময়েই ঘরোয়া টোটকাও কাজের হয়। তা ছাড়া, এখনও কেউ কেউ রাসায়নিকের ব্যবহার এড়িয়ে রূপচর্চায় প্রাকৃতিক উপাদান বেছে নিতে পছন্দ করেন। তাঁরা কী ভাবে বানাবেন ঘরোয়া প্যাক?
রূপচর্চায় থাক তরমুজ: তরমুজে জলের পরিমাণ অনেকটাই। আর এতে আছে ভিটামিন এবং বিশেষ কিছু খনিজ, যা ত্বকের উপযোগী। কয়েক টুকরো তরমুজ মিক্সিতে ঘুরিয়ে রস ছেঁকে নিন। মুলতানি মাটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অত্যন্ত ভাল। ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ৪ টেবিল চামচ তরমুজের রস মিশিয়ে একটা প্যাক বানিয়ে নিন। পরিষ্কার মুখে এটি মাখতে হবে। ঘুম থেকে উঠেও ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে দু’দিন ব্যবহার করলেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে।
শসা এবং অ্যালো ভেরা: শসাতেও প্রচুর জল থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভাল। শসা কালচে দাগছোপ তুলতেও সাহায্য করে। ১ চা-চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে নিতে হবে। পরিষ্কার মুখে সেটি আলতো করে মাসাজ করে নিন। মিনিট ১০-১২ রেখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
নিমের প্যাক: টাটকা নিমপাতা ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন জলে। তার পরে বেটে নিন। এটাই সরাসরি মুখে মাখতে পারেন। অথবা চাইলে নিমের সঙ্গে গোলাপ জল বা বেসন মিশিয়ে নিতে পারেন। নিমে রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান। তা ছাড়া ছোটখাটো সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম নিমের ভেষজ গুণ। ব্রণ, ফুস্কুড়ি কমাতে নিমের ব্যবহার নতুন নয়।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য রকমারি প্যাক, প্রসাধনী রয়েছে। তবে অনেক সময়েই ঘরোয়া টোটকাও কাজের হয়। তা ছাড়া, এখনও কেউ কেউ রাসায়নিকের ব্যবহার এড়িয়ে রূপচর্চায় প্রাকৃতিক উপাদান বেছে নিতে পছন্দ করেন। তাঁরা কী ভাবে বানাবেন ঘরোয়া প্যাক?
রূপচর্চায় থাক তরমুজ: তরমুজে জলের পরিমাণ অনেকটাই। আর এতে আছে ভিটামিন এবং বিশেষ কিছু খনিজ, যা ত্বকের উপযোগী। কয়েক টুকরো তরমুজ মিক্সিতে ঘুরিয়ে রস ছেঁকে নিন। মুলতানি মাটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অত্যন্ত ভাল। ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ৪ টেবিল চামচ তরমুজের রস মিশিয়ে একটা প্যাক বানিয়ে নিন। পরিষ্কার মুখে এটি মাখতে হবে। ঘুম থেকে উঠেও ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে দু’দিন ব্যবহার করলেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে।
শসা এবং অ্যালো ভেরা: শসাতেও প্রচুর জল থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভাল। শসা কালচে দাগছোপ তুলতেও সাহায্য করে। ১ চা-চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে নিতে হবে। পরিষ্কার মুখে সেটি আলতো করে মাসাজ করে নিন। মিনিট ১০-১২ রেখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
নিমের প্যাক: টাটকা নিমপাতা ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন জলে। তার পরে বেটে নিন। এটাই সরাসরি মুখে মাখতে পারেন। অথবা চাইলে নিমের সঙ্গে গোলাপ জল বা বেসন মিশিয়ে নিতে পারেন। নিমে রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান। তা ছাড়া ছোটখাটো সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম নিমের ভেষজ গুণ। ব্রণ, ফুস্কুড়ি কমাতে নিমের ব্যবহার নতুন নয়।