রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার শিক্ষা খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ এবং উত্তরণের পথরেখা তৈরির লক্ষ্যে এক গোলটেবিল বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০মে) প্লাজমা ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক এই গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কুয়েটের প্রফেসর ড. আব্দুল হাসিব। প্লাজমা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জায়েদুল ইসলামের সঞ্চালনা ও সার্বিক সমন্বয়ে আয়োজিত এই গোল বৈঠকে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।
সভায় গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থার বিদ্যমান সংকট যেমন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ও ফলাফলের বৈষম্য, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার অভাব এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জায়েদুল ইসলাম বলেন, “গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বর্তমান বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই একটি শিক্ষাবান্ধব ও উন্নত জনপদ গড়ে তোলা সম্ভব।”
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা বাস্তবসম্মত সমাধানের ওপর জোর দেন। প্রেমতলী সুকবাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক ফোরামের উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মেসবাহুল ইসলাম, চর আড়িয়াদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তাফা এবং গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের প্রভাষক গোলাম রব্বানী স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেন।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ, গোদাগাড়ী (সার্কেল) এএসপি মির্জা আব্দুস সালাম, রাজশাহী জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, আহমেদ পার্সেলের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া রুলুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
প্লাজমা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই গোলটেবিল বৈঠক থেকে প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ ভবিষ্যতে গোদাগাড়ীর শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। পরিশেষে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
শনিবার (৩০মে) প্লাজমা ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক এই গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কুয়েটের প্রফেসর ড. আব্দুল হাসিব। প্লাজমা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জায়েদুল ইসলামের সঞ্চালনা ও সার্বিক সমন্বয়ে আয়োজিত এই গোল বৈঠকে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।
সভায় গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থার বিদ্যমান সংকট যেমন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ও ফলাফলের বৈষম্য, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার অভাব এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জায়েদুল ইসলাম বলেন, “গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বর্তমান বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই একটি শিক্ষাবান্ধব ও উন্নত জনপদ গড়ে তোলা সম্ভব।”
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা বাস্তবসম্মত সমাধানের ওপর জোর দেন। প্রেমতলী সুকবাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক ফোরামের উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মেসবাহুল ইসলাম, চর আড়িয়াদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তাফা এবং গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের প্রভাষক গোলাম রব্বানী স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেন।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ, গোদাগাড়ী (সার্কেল) এএসপি মির্জা আব্দুস সালাম, রাজশাহী জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, আহমেদ পার্সেলের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া রুলুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
প্লাজমা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই গোলটেবিল বৈঠক থেকে প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ ভবিষ্যতে গোদাগাড়ীর শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। পরিশেষে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।