রাজশাহী মহানগরীতে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)।
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করে ঈদের দিন রাতের মধ্যেই নগরীকে বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে।
রাসিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে ওয়ার্ড পর্যায়ে এবং বিকেলে বুলনপুর এসটিএস, রুয়েট সংলগ্ন এসটিএস ও রাবি এসটিএসসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে ১ হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে দ্রুততার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নগরীকে দুর্গন্ধমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক ছিটানো হয়। এ কাজে প্রয়োজনীয় যানবাহন, সরঞ্জাম ও জনবল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত ছিল।
দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লা থেকে কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ করে ভ্যানযোগে সিটি কর্পোরেশনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এ নেওয়া হয়। পরে রাতের মধ্যেই সেসব বর্জ্য ভাগাড়ে স্থানান্তর করা হয়। ফলে ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী ফিরে পান নগরবাসী।
এ অর্জনে নগরবাসী, পরিচ্ছন্নকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি বলেন, “নাগরিকদের সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই নির্ধারিত সময়ের আগেই মহানগরী পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
দ্রুততম সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করায় নগরবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন রাসিক প্রশাসক। সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা খুবই প্রশংসনীয় ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরী পরিষ্কার হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।
উপশহর এলাকার গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সহজ হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, ঈদের দিনেই প্রশাসক নিজে মাঠে থেকে কাজ তদারকি করেছেন, এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এত দ্রুত বর্জ্য অপসারণ হওয়ায় দুর্গন্ধ বা ভোগান্তি হয়নি।
উল্লেখ্য, এবার প্রথমবারের মতো রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের উদ্যোগে নগরীর প্রায় ৮২ হাজার হোল্ডিংয়ের প্রতিটি মুসলিম পরিবারকে কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য তিনটি করে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ বিতরণ করা হয়। এছাড়া গরু বা মহিষ কোরবানিদাতাদের জন্য দুটি বড় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও এক কেজি ব্লিচিং পাউডার এবং ছাগল বা ভেড়া কোরবানিদাতাদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ৫০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ উদ্যোগ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করে ঈদের দিন রাতের মধ্যেই নগরীকে বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে।
রাসিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে ওয়ার্ড পর্যায়ে এবং বিকেলে বুলনপুর এসটিএস, রুয়েট সংলগ্ন এসটিএস ও রাবি এসটিএসসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে ১ হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে দ্রুততার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নগরীকে দুর্গন্ধমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক ছিটানো হয়। এ কাজে প্রয়োজনীয় যানবাহন, সরঞ্জাম ও জনবল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত ছিল।
দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লা থেকে কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ করে ভ্যানযোগে সিটি কর্পোরেশনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এ নেওয়া হয়। পরে রাতের মধ্যেই সেসব বর্জ্য ভাগাড়ে স্থানান্তর করা হয়। ফলে ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী ফিরে পান নগরবাসী।
এ অর্জনে নগরবাসী, পরিচ্ছন্নকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি বলেন, “নাগরিকদের সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই নির্ধারিত সময়ের আগেই মহানগরী পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
দ্রুততম সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করায় নগরবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন রাসিক প্রশাসক। সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা খুবই প্রশংসনীয় ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরী পরিষ্কার হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।
উপশহর এলাকার গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সহজ হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, ঈদের দিনেই প্রশাসক নিজে মাঠে থেকে কাজ তদারকি করেছেন, এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এত দ্রুত বর্জ্য অপসারণ হওয়ায় দুর্গন্ধ বা ভোগান্তি হয়নি।
উল্লেখ্য, এবার প্রথমবারের মতো রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের উদ্যোগে নগরীর প্রায় ৮২ হাজার হোল্ডিংয়ের প্রতিটি মুসলিম পরিবারকে কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য তিনটি করে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ বিতরণ করা হয়। এছাড়া গরু বা মহিষ কোরবানিদাতাদের জন্য দুটি বড় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও এক কেজি ব্লিচিং পাউডার এবং ছাগল বা ভেড়া কোরবানিদাতাদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ৫০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ উদ্যোগ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।