ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং কিউবাকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে পলিটিকো ডট কমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরে ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ, সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করছে। তবে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কিউবায় সরাসরি সামরিক অভিযানের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় সাগরে পৌঁছেছে। পাশাপাশি উভচর আক্রমণ জাহাজ ইউএসএস কিয়ারসার্জ প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেরিন সেনা নিয়ে ওই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডও ক্যারিবীয় অঞ্চলে নৌ উপস্থিতি বৃদ্ধির কথা নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, এই মোতায়েন চাপ সৃষ্টি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা” বজায় রাখার কৌশল হতে পারে। তবে রুশ ও লাতিন আমেরিকান কিছু গণমাধ্যমে এটিকে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এদিকে কিউবা ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও আলোচনায় এনেছে। সাবেক কিউবান নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালের একটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ গঠন এবং এর পরপরই ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন রণতরী মোতায়েনকে অনেক বিশ্লেষক একই কৌশলগত চাপের অংশ হিসেবে দেখছেন।
তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের অনেকে সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন মানেই সামরিক অভিযান অনিবার্য, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। মার্কিন নৌবাহিনী নিয়মিতভাবেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে মহড়া, নজরদারি ও মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যদিও সাম্প্রতিক মোতায়েনের মাত্রা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
কিউবার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কসিও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনকে “যুদ্ধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা” বলে অভিযোগ করেছেন।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় সাগরে পৌঁছেছে। পাশাপাশি উভচর আক্রমণ জাহাজ ইউএসএস কিয়ারসার্জ প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেরিন সেনা নিয়ে ওই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডও ক্যারিবীয় অঞ্চলে নৌ উপস্থিতি বৃদ্ধির কথা নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, এই মোতায়েন চাপ সৃষ্টি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা” বজায় রাখার কৌশল হতে পারে। তবে রুশ ও লাতিন আমেরিকান কিছু গণমাধ্যমে এটিকে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এদিকে কিউবা ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও আলোচনায় এনেছে। সাবেক কিউবান নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালের একটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ গঠন এবং এর পরপরই ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন রণতরী মোতায়েনকে অনেক বিশ্লেষক একই কৌশলগত চাপের অংশ হিসেবে দেখছেন।
তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের অনেকে সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন মানেই সামরিক অভিযান অনিবার্য, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। মার্কিন নৌবাহিনী নিয়মিতভাবেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে মহড়া, নজরদারি ও মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যদিও সাম্প্রতিক মোতায়েনের মাত্রা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
কিউবার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কসিও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনকে “যুদ্ধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা” বলে অভিযোগ করেছেন।