সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি দিতে ভ্যাটের মতো পরোক্ষ কর থেকে সরে আসার পরিকল্পনা করছে সরকার। তাই আসন্ন বাজেটে ধনীদের সম্পদের ওপর সরাসরি কর আরোপের উদ্যোগ নিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই খাত থেকে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সম্পদের সুষম বণ্টনের সুযোগ তৈরি হলেও কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।
নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বৃদ্ধির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পরোক্ষ কর কমিয়ে প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে এনবিআর। নতুন করদাতা, উচ্চ আয়ের ব্যক্তি, ব্যবসায়ী এবং সম্পত্তির মালিকদের নজরদারির আওতায় আনতে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি, উত্তরা এবং চট্টগ্রামের খুলশীর মতো অভিজাত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কর জরিপ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। আসন্ন বাজেটেই সম্পদ কর বসিয়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।
বিজিএমইএর পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, যার রিটার্ন কমবেশি দিচ্ছে তাদের ধরা হচ্ছে। আর যারা দিচ্ছে না তাদের সেভাবে ধরা হচ্ছে না। এভাবে করের বোঝা চাপানো ঠিক না। আমরা এরই মধ্যে কর ও ঋণের চাপে আছি; একসময় আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব।
বর্তমানে কোনো ব্যক্তির মোট সম্পদ ৪ কোটি টাকার বেশি হলে ন্যূনতম ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে সম্পদের পরিমাণ অনুযায়ী ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত সারচার্জ আরোপ করে এনবিআর। তবে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব না আসায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের খসড়া অনুযায়ী নতুন কাঠামোতে ৪ থেকে ৬ কোটি টাকার সম্পদের ওপর ০.২৫ শতাংশ, ৬ থেকে ১১ কোটির ওপর ০.৫০ শতাংশ, ১১ থেকে ১৬ কোটির ওপর ০.৭৫ শতাংশ এবং ১৬ কোটির বেশি সম্পদের ওপর ১ শতাংশ হারে কর আরোপের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ৫ হাজার কোটি টাকা বড় অঙ্ক নয়। তবে এটা আদায় করতে গিয়ে যাতে খরচ বেশি না হয়ে যায়, সেটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। নতুন কর চালুর আগে করদাতাদের সচেতন করা জরুরি।
বর্তমানে কোনো ব্যক্তির ১০০ কোটি টাকার সম্পদের বিপরীতে আয়কর ২০ লাখ টাকা হলে সর্বোচ্চ হারে সারচার্জ ধরা হয় ৭ লাখ টাকা। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ১ শতাংশ সম্পদ কর চালু হলে ওই ১০০ কোটি টাকার সম্পদের ওপর কর দাঁড়াবে ১ কোটি টাকা।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারচার্জ থেকে ওয়েলথ ট্যাক্সে গেলে এটি আরও প্রেডিক্টেবল হবে এবং বৈষম্য কমাতে ভূমিকা রাখবে। তবে শুধু রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ বাড়ালে তা সঠিক হবে না।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সারচার্জ থেকে আদায় হয়েছে ৬৯৫ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬২৬ কোটি টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৯৯ কোটি টাকা।
নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বৃদ্ধির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পরোক্ষ কর কমিয়ে প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে এনবিআর। নতুন করদাতা, উচ্চ আয়ের ব্যক্তি, ব্যবসায়ী এবং সম্পত্তির মালিকদের নজরদারির আওতায় আনতে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি, উত্তরা এবং চট্টগ্রামের খুলশীর মতো অভিজাত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কর জরিপ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। আসন্ন বাজেটেই সম্পদ কর বসিয়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।
বিজিএমইএর পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, যার রিটার্ন কমবেশি দিচ্ছে তাদের ধরা হচ্ছে। আর যারা দিচ্ছে না তাদের সেভাবে ধরা হচ্ছে না। এভাবে করের বোঝা চাপানো ঠিক না। আমরা এরই মধ্যে কর ও ঋণের চাপে আছি; একসময় আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব।
বর্তমানে কোনো ব্যক্তির মোট সম্পদ ৪ কোটি টাকার বেশি হলে ন্যূনতম ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে সম্পদের পরিমাণ অনুযায়ী ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত সারচার্জ আরোপ করে এনবিআর। তবে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব না আসায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের খসড়া অনুযায়ী নতুন কাঠামোতে ৪ থেকে ৬ কোটি টাকার সম্পদের ওপর ০.২৫ শতাংশ, ৬ থেকে ১১ কোটির ওপর ০.৫০ শতাংশ, ১১ থেকে ১৬ কোটির ওপর ০.৭৫ শতাংশ এবং ১৬ কোটির বেশি সম্পদের ওপর ১ শতাংশ হারে কর আরোপের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ৫ হাজার কোটি টাকা বড় অঙ্ক নয়। তবে এটা আদায় করতে গিয়ে যাতে খরচ বেশি না হয়ে যায়, সেটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। নতুন কর চালুর আগে করদাতাদের সচেতন করা জরুরি।
বর্তমানে কোনো ব্যক্তির ১০০ কোটি টাকার সম্পদের বিপরীতে আয়কর ২০ লাখ টাকা হলে সর্বোচ্চ হারে সারচার্জ ধরা হয় ৭ লাখ টাকা। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ১ শতাংশ সম্পদ কর চালু হলে ওই ১০০ কোটি টাকার সম্পদের ওপর কর দাঁড়াবে ১ কোটি টাকা।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারচার্জ থেকে ওয়েলথ ট্যাক্সে গেলে এটি আরও প্রেডিক্টেবল হবে এবং বৈষম্য কমাতে ভূমিকা রাখবে। তবে শুধু রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ বাড়ালে তা সঠিক হবে না।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সারচার্জ থেকে আদায় হয়েছে ৬৯৫ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬২৬ কোটি টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৯৯ কোটি টাকা।