পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের নতুন ‘ডিটেক্টেড ডিফল্ট হোল্ডিং সেন্টার’ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারির পর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে অভিযুক্ত বহু মানুষের মাঝে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানা গেছে।
ভারতের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই অনুপ্রবেশ ইস্যুকে অন্যতম রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে বিজেপি। নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর বিষয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো হয়।
মঙ্গলবার এক প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দেন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দ্রুত রাজ্য ছাড়তে হবে, অন্যথায় সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে পুলিশ সরাসরি সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের আটক করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তর করবে। পরবর্তীতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের পরিচয় যাচাই ও ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় বিশেষ ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আটক বিদেশি নাগরিক ও ডিপোর্টেশনের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের অস্থায়ীভাবে রাখা হবে।
নির্দেশ জারির মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মালদার ইংরেজবাজারে প্রথম হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হয়। এছাড়া সীমান্তবর্তী জেলা মুর্শিদাবাদেও একই ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার বিথারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাকিমপুর চেকপোস্টে মঙ্গলবার সকাল থেকেই শত শত নারী-পুরুষ জড়ো হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নথিপত্র ছাড়াই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বসবাসের অভিযোগ রয়েছে।
প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং গ্রেফতারের আশঙ্কায় তারা স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন কয়েকজন অপেক্ষমাণ ব্যক্তি। মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং পুলিশের তৎপরতার কারণে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলেও জানান তারা।
হঠাৎ বিপুলসংখ্যক মানুষের সীমান্তমুখী সমাগমে স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন।
এদিকে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ, আটক এবং ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।
ভারতের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই অনুপ্রবেশ ইস্যুকে অন্যতম রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে বিজেপি। নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর বিষয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো হয়।
মঙ্গলবার এক প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দেন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দ্রুত রাজ্য ছাড়তে হবে, অন্যথায় সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে পুলিশ সরাসরি সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের আটক করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তর করবে। পরবর্তীতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের পরিচয় যাচাই ও ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় বিশেষ ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আটক বিদেশি নাগরিক ও ডিপোর্টেশনের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের অস্থায়ীভাবে রাখা হবে।
নির্দেশ জারির মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মালদার ইংরেজবাজারে প্রথম হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হয়। এছাড়া সীমান্তবর্তী জেলা মুর্শিদাবাদেও একই ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার বিথারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাকিমপুর চেকপোস্টে মঙ্গলবার সকাল থেকেই শত শত নারী-পুরুষ জড়ো হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নথিপত্র ছাড়াই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বসবাসের অভিযোগ রয়েছে।
প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং গ্রেফতারের আশঙ্কায় তারা স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন কয়েকজন অপেক্ষমাণ ব্যক্তি। মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং পুলিশের তৎপরতার কারণে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলেও জানান তারা।
হঠাৎ বিপুলসংখ্যক মানুষের সীমান্তমুখী সমাগমে স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন।
এদিকে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ, আটক এবং ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।