সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর তিন গ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপন

আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৬ ০২:৩৬:০০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৬ ০২:৩৬:০০ অপরাহ্ন
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সদর উপজেলার তিন গ্রামের বাসিন্দারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আযহা উদযাপন করেছেন।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে দুই উপজেলার তিনটি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

যেসব এলাকায় ঈদ উদযাপন করা হয় সেগুলো হলো,  বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বসন্তবাগ মুন্সিবাড়ী জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ফাজিলপুর দায়রা বাড়ী জামে মসজিদ এবং নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম সাহাপুর রশিদিয়া রহমানিয়া আল কাদেরী দায়রা খানকা শরীফ জামে মসজিদ।

স্থানীয়রা জানান, বড় পীর হযরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.) এর আদর্শ অনুসরণকারী কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করে আসছেন। বসন্তবাগ, ফাজিলপুর ও পশ্চিম সাহাপুর গ্রামের অনুসারীরা প্রতিবছর একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন। উত্তর বসন্তবাগ মুন্সিবাড়ী জামে মসজিদে ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা বদরুল ইসলাম। জামাতে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মুসল্লি অংশ নেন। অন্যদিকে ফাজিলপুর দায়রা বাড়ী জামে মসজিদে ইমামতি করেন মাওলানা সাইফুর রহমান। সেখানে অংশ নেন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন মুসল্লি।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছি। এই প্রথার ইতিহাস শত বছরেরও বেশি পুরোনো। ঈদের নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।

সুধারাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম চন্দ্র ভট্রাচার্য বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে অনুষ্ঠিত ঈদ জামাত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ছোট পরিসরে আয়োজন করা জামাতগুলোর বিষয়ে অনেক সময় স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন না। বড় ধরনের জামাত হলে সাধারণত প্রশাসনকে জানানো হয়।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]