টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের দেখতে গেছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি রামেক হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
জানা গেছে, সোমবার (২৫ মে) ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘটিত মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে চারজন আহত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে এবং তারা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত আছেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চার আহত ব্যক্তির চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় রাজশাহী জেলা প্রশাসন বহন করবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল টিম ও ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। সড়কের ওপর যাতে কোনো গবাদি পশুর হাট বসতে না পারে, সে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি রামেক হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
জানা গেছে, সোমবার (২৫ মে) ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘটিত মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে চারজন আহত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে এবং তারা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত আছেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চার আহত ব্যক্তির চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় রাজশাহী জেলা প্রশাসন বহন করবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল টিম ও ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। সড়কের ওপর যাতে কোনো গবাদি পশুর হাট বসতে না পারে, সে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন।