রান্নাঘরে আরশোলা দেখলেই বহু মানুষের গা ঘিনঘিন করে ওঠে । এই পতঙ্গকে সাধারণত নোংরা, রোগের বাহক বলেই ভাবা হয়। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এই আরশোলারই একটি বিশেষ প্রজাতি নাকি হতে পারে পুষ্টির ভাণ্ডার! শুধু দুধই নয়, আরশোলা দিয়ে তৈরি হচ্ছে পুষ্টিকর আটাও। সম্প্রতি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই চমকপ্রদ তথ্য, যা এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
গরু-মোষের দুধকে টেক্কা দেবে আরশোলার দুধ?
‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন’-এ প্রকাশিত গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ডিপ্লোপটেরা পাঙ্কটাটা নামের এক বিশেষ প্রজাতির আরশোলা বাচ্চাকে জন্ম দেয় এবং তাদের পুষ্টির জন্য এক ধরনের তরল তৈরি করে। এই তরল শুকিয়ে প্রোটিন ক্রিস্টালে পরিণত হয়। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এই ক্রিস্টাল থেকে যে এনার্জি পাওয়া যায়, তা মোষের দুধের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি।
আরশোলার এই দুধে রয়েছে,
ওলেইক অ্যাসিড
কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড
ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
অর্থাৎ যেসব উপাদান সাধারণ দুধে সীমিত পরিমাণে থাকে, আরশোলার দুধে সেগুলোর উপস্থিতি অনেক বেশি।
আরশোলার পুষ্টিগুণ নিয়ে শুধু দুধেই গবেষণা থামেনি। ব্রাজিলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নওফোয়েটা সিনারিয়া প্রজাতির আরশোলা থেকে তৈরি আটা সাধারণ গমের আটার তুলনায় অনেক বেশি প্রোটিনসমৃদ্ধ।
এই ‘ইনসেক্ট ফ্লাওয়ার’-এ রয়েছে,
মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ৮টি অ্যামিনো অ্যাসিড
ওমেগা–৯ ফ্যাটি অ্যাসিড
যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
রেড মিটের চেয়েও বেশি প্রোটিন আরশোলায়
মর্কিন কৃষি দফতর জানিয়েছে, ১০০ গ্রাম মটনে প্রায় ২৭.১ গ্রাম প্রোটিন থাকে। কিন্তু আরশোলায় প্রোটিনের পরিমাণ প্রায় ৭০ শতাংশ, যা রেড মিটের তুলনায় অনেক বেশি। তাছাড়া রেড মিটে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের ঝুঁকিও এখানে কম।
ভবিষ্যতের খাদ্য সঙ্কটে বড় ভূমিকা রাখতে পারে
অবশ্য আরশোলাকে খাবারে দেখা মাত্রই সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি কাজ করে। তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভবিষ্যতের খাদ্য সঙ্কট ও প্রোটিনের ঘাটতি মোকাবিলায় ‘ককরোচ মিল্ক’ ও ‘ইনসেক্ট ফ্লাওয়ার’ হতে পারে যুগান্তকারী আবিষ্কার।
গরু-মোষের দুধকে টেক্কা দেবে আরশোলার দুধ?
‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন’-এ প্রকাশিত গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ডিপ্লোপটেরা পাঙ্কটাটা নামের এক বিশেষ প্রজাতির আরশোলা বাচ্চাকে জন্ম দেয় এবং তাদের পুষ্টির জন্য এক ধরনের তরল তৈরি করে। এই তরল শুকিয়ে প্রোটিন ক্রিস্টালে পরিণত হয়। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এই ক্রিস্টাল থেকে যে এনার্জি পাওয়া যায়, তা মোষের দুধের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি।
আরশোলার এই দুধে রয়েছে,
ওলেইক অ্যাসিড
কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড
ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
অর্থাৎ যেসব উপাদান সাধারণ দুধে সীমিত পরিমাণে থাকে, আরশোলার দুধে সেগুলোর উপস্থিতি অনেক বেশি।
আরশোলার পুষ্টিগুণ নিয়ে শুধু দুধেই গবেষণা থামেনি। ব্রাজিলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নওফোয়েটা সিনারিয়া প্রজাতির আরশোলা থেকে তৈরি আটা সাধারণ গমের আটার তুলনায় অনেক বেশি প্রোটিনসমৃদ্ধ।
এই ‘ইনসেক্ট ফ্লাওয়ার’-এ রয়েছে,
মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ৮টি অ্যামিনো অ্যাসিড
ওমেগা–৯ ফ্যাটি অ্যাসিড
যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
রেড মিটের চেয়েও বেশি প্রোটিন আরশোলায়
মর্কিন কৃষি দফতর জানিয়েছে, ১০০ গ্রাম মটনে প্রায় ২৭.১ গ্রাম প্রোটিন থাকে। কিন্তু আরশোলায় প্রোটিনের পরিমাণ প্রায় ৭০ শতাংশ, যা রেড মিটের তুলনায় অনেক বেশি। তাছাড়া রেড মিটে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের ঝুঁকিও এখানে কম।
ভবিষ্যতের খাদ্য সঙ্কটে বড় ভূমিকা রাখতে পারে
অবশ্য আরশোলাকে খাবারে দেখা মাত্রই সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি কাজ করে। তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভবিষ্যতের খাদ্য সঙ্কট ও প্রোটিনের ঘাটতি মোকাবিলায় ‘ককরোচ মিল্ক’ ও ‘ইনসেক্ট ফ্লাওয়ার’ হতে পারে যুগান্তকারী আবিষ্কার।