যশোরের কেশবপুরের একটি গ্রামে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়া এক শিশু (চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
ভুক্তভোগী শিশু ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে ওই শিক্ষার্থী পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখতে যায়। এ সময় ওই বাড়ির এক এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোর শিশুটিকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে। মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে মা ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অপরাধের কথা স্বীকার করে।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে কেশবপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরকে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন জানান, শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করছেন, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিশুটির বাবা বলেন, "আমার ছোট্ট মেয়েটি এখনো জগৎ সম্পর্কে কিছুই বোঝে না। অভিযুক্ত কিশোর জোরপূর্বক আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে। পুরো পরিবার এখন তীব্র দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি, বিশেষ করে মেয়েটার ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা দিশেহারা।"
ভুক্তভোগী শিশু ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে ওই শিক্ষার্থী পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখতে যায়। এ সময় ওই বাড়ির এক এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোর শিশুটিকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে। মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে মা ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অপরাধের কথা স্বীকার করে।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে কেশবপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরকে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন জানান, শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করছেন, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিশুটির বাবা বলেন, "আমার ছোট্ট মেয়েটি এখনো জগৎ সম্পর্কে কিছুই বোঝে না। অভিযুক্ত কিশোর জোরপূর্বক আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে। পুরো পরিবার এখন তীব্র দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি, বিশেষ করে মেয়েটার ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা দিশেহারা।"