বয়স হলেই হাঁটুর জোর কমে। এ কথা তো সকলেই বলেন। তবে হাঁটুর ব্যথা এখন আর বয়স মেনে হয় না। ত্রিশ পেরোনো যুবক বা যুবতীও ভুগছেন অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস বা অস্টিপোরোসিসের মতো রোগে। প্রথমটায় ক্ষয়ে যাচ্ছে হাঁটুর সংযোগস্থলের তরুণাস্থি, আর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ক্ষয়ে যাচ্ছে হাড়। আর হাড় দুর্বল হওয়ার কারণ হল তার ঘনত্ব কমে আসা। হাড়ের উপর চাপ যত বাড়বে, ততই তার ঘনত্ব কমে সে দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়বে। গাঁটে গাঁটে শুরু হবে যন্ত্রণা। স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক নিয়মেই তা হবে। এ বার ধরা যাক, এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটিকে যদি থামিয়ে দেওয়া যায়, তা হলে কেমন হয়? এর জন্য ডায়েট বা ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। ভিতর থেকে হাড়ের বার্ধক্য রুখে দেওয়া সম্ভব হবে শুধু ফাইবার খেয়েই। মাত্র ৬ সপ্তাহে হাঁটুর বাত কমিয়ে দিতে পারে ফাইবার, গবেষকদের দাবি এমনটাই।
হাঁটুর ব্যথার কারণ অনেক। জন্মগত কারণে হাড়ের গঠনে কোনও সমস্যা থাকলে, কোনও সংক্রমণ হলে, চোট লাগলে, আর্থ্রাইটিস হলে বা কার্টিলেজে আঘাত লাগলেও হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে। আবার কিছু কিছু টিউমারের কারণেও হাঁটুতে ব্যথা হয়। কারণ যা-ই হোক না কেন, অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস বা হাঁটুতে বাত কমাতে নানা ধরনের ওষুধই দেন চিকিৎসকেরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তখন হাঁটু প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু ফাইবারে এ সমস্যার সমাধান হতে পারে সহজেই, এমনই দাবি ব্রিটেনের ইউিনিভার্সিটি অফ নটিংহামের গবেষকদের। তাঁরা জানিয়েছেন, হাঁটুর ব্যথা কমাতে পারে ফাইবার সাপ্লিমেন্ট। তবে ফাইবারে ভরপুর খাবার খেলেও কাজ হবে। গবেষকেরা যে ফাইবারটির নাম উল্লেখ করেছেন সেটি হল ‘ইনুলিন’। এক ধরনের প্রিবায়োটিক ফাইবার যা খেলে বাতের ব্যথা নির্মূল হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে।
কোন ফাইবারে বাত সারবে?
ইনুলিন ফাইবার প্রাকৃতিক ভাবেই পাওয়া যায়। বিভিন্ন সব্জি ও ফলে তা থাকে। এ দেশে খাওয়া হয় এমন আনাজ ও ফল যেমন পেঁয়াজ, রসুন, শাকপাতা, স্প্রিং অনিয়ন, কলায় ইনুলিন থাকে। আবার গম, ওট্স, ডালিয়ার মতো নানা ধরনের দানাশস্যতেও থাকে। ইনুলিন হল প্রিবায়োটিক। এই ধরনের উপাদান পাকস্থলী সরাসরি হজম করতে পারে না। এটি অক্ষত অবস্থায় বৃহদন্ত্রে পৌঁছয় এবং সেখানে থাকা শরীরের উপকারী ব্যাক্টেরিয়াদের খাদ্যে পরিণত হয়। গবেষকেরা দেখেছেন, অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়া পরিপুষ্ট থাকলেই শরীরের প্রদাহ কমে এবং বাতের ব্যথাবেদনাও সারে। ইনুলিন সে কাজটাই করে।
১১৭ জন বাতের রোগীর উপরে ফাইবারের পরীক্ষাটি করে ভাল ফল পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকেরা। যাঁদের ওই ফাইবার সাপ্লিমেন্ট বা খাবার খাওয়ানো হয়েছিল, তাঁদের ৬-৭ সপ্তাহের মধ্যে বাতের ব্যথার নিরাময় হয়েছে বলে দাবি। ইনুলিন যে শুধু অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়াকে ভাল রেখে প্রদাহ কমায়, তা নয়, জিএলপি-১ হরমোন ক্ষরণেও সাহায্য করে। এই হরমোনটির কাজ হল রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা, ওজন কমানো ও প্রদাহ কমানো। এই সব ক’টি কাজ ঠিকমতো সম্পন্ন হলে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকিও কমে। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দিনে ২৫-৩৫ গ্রাম ফাইবারের প্রয়োজন পড়ে। সে চাহিদা যদি ঠিকমতো মেটে, তা হলে বাতের ব্যথা ধারেকাছে ঘেঁষবে না বলেই মত গবেষকদের।
হাঁটুর ব্যথার কারণ অনেক। জন্মগত কারণে হাড়ের গঠনে কোনও সমস্যা থাকলে, কোনও সংক্রমণ হলে, চোট লাগলে, আর্থ্রাইটিস হলে বা কার্টিলেজে আঘাত লাগলেও হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে। আবার কিছু কিছু টিউমারের কারণেও হাঁটুতে ব্যথা হয়। কারণ যা-ই হোক না কেন, অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস বা হাঁটুতে বাত কমাতে নানা ধরনের ওষুধই দেন চিকিৎসকেরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তখন হাঁটু প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু ফাইবারে এ সমস্যার সমাধান হতে পারে সহজেই, এমনই দাবি ব্রিটেনের ইউিনিভার্সিটি অফ নটিংহামের গবেষকদের। তাঁরা জানিয়েছেন, হাঁটুর ব্যথা কমাতে পারে ফাইবার সাপ্লিমেন্ট। তবে ফাইবারে ভরপুর খাবার খেলেও কাজ হবে। গবেষকেরা যে ফাইবারটির নাম উল্লেখ করেছেন সেটি হল ‘ইনুলিন’। এক ধরনের প্রিবায়োটিক ফাইবার যা খেলে বাতের ব্যথা নির্মূল হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে।
কোন ফাইবারে বাত সারবে?
ইনুলিন ফাইবার প্রাকৃতিক ভাবেই পাওয়া যায়। বিভিন্ন সব্জি ও ফলে তা থাকে। এ দেশে খাওয়া হয় এমন আনাজ ও ফল যেমন পেঁয়াজ, রসুন, শাকপাতা, স্প্রিং অনিয়ন, কলায় ইনুলিন থাকে। আবার গম, ওট্স, ডালিয়ার মতো নানা ধরনের দানাশস্যতেও থাকে। ইনুলিন হল প্রিবায়োটিক। এই ধরনের উপাদান পাকস্থলী সরাসরি হজম করতে পারে না। এটি অক্ষত অবস্থায় বৃহদন্ত্রে পৌঁছয় এবং সেখানে থাকা শরীরের উপকারী ব্যাক্টেরিয়াদের খাদ্যে পরিণত হয়। গবেষকেরা দেখেছেন, অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়া পরিপুষ্ট থাকলেই শরীরের প্রদাহ কমে এবং বাতের ব্যথাবেদনাও সারে। ইনুলিন সে কাজটাই করে।
১১৭ জন বাতের রোগীর উপরে ফাইবারের পরীক্ষাটি করে ভাল ফল পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকেরা। যাঁদের ওই ফাইবার সাপ্লিমেন্ট বা খাবার খাওয়ানো হয়েছিল, তাঁদের ৬-৭ সপ্তাহের মধ্যে বাতের ব্যথার নিরাময় হয়েছে বলে দাবি। ইনুলিন যে শুধু অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়াকে ভাল রেখে প্রদাহ কমায়, তা নয়, জিএলপি-১ হরমোন ক্ষরণেও সাহায্য করে। এই হরমোনটির কাজ হল রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা, ওজন কমানো ও প্রদাহ কমানো। এই সব ক’টি কাজ ঠিকমতো সম্পন্ন হলে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকিও কমে। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দিনে ২৫-৩৫ গ্রাম ফাইবারের প্রয়োজন পড়ে। সে চাহিদা যদি ঠিকমতো মেটে, তা হলে বাতের ব্যথা ধারেকাছে ঘেঁষবে না বলেই মত গবেষকদের।