আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে এখনই কোনও আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। বরং ইরান জানিয়ে দিয়েছে যে, একটি শর্ত না-মানলে তারা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসবে না।
তেহরানের বক্তব্য, যুদ্ধ পুরোপুরি থামানোর প্রাক্শর্ত হিসাবে আমেরিকা আশ্বাস দিয়েছিল যে, ইরানের যে সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেগুলি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা রাখেননি বলে অভিযোগ। তাই আমেরিকার দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়িত না-হলে শান্তিচুক্তিতে রাজি নয় ইরান। তবে হরমুজ় প্রণালীর উপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদসংস্থা ‘তাসনিম’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, শান্তিচুক্তির প্রথম ধাপে যদি আমেরিকা বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি ফিরিয়ে না-দেয়, তা হলে চূড়ান্ত সমঝোতার পথে হাঁটবে না তেহরান। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার ‘বার বার অবস্থান বদল’ নিয়ে অসন্তুষ্ট ইরান। তাই ওই শর্ত মানা-না হলে তারা যে বোঝাপড়ায় আসবে না, তা পাকিস্তান এবং অন্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।
রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। শনিবার (স্থানীয় সময় অনুযায়ী) তিনি দাবি করেন, চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। শুধু ঘোষণার অপেক্ষা। ওই মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সমঝোতার দায়িত্বে থাকা মার্কিন প্রতিনিধিদলকে তাড়াহুড়ো না-করার নির্দেশ দিয়ে রাখলেন তিনি।
তেহরানের বক্তব্য, যুদ্ধ পুরোপুরি থামানোর প্রাক্শর্ত হিসাবে আমেরিকা আশ্বাস দিয়েছিল যে, ইরানের যে সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেগুলি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা রাখেননি বলে অভিযোগ। তাই আমেরিকার দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়িত না-হলে শান্তিচুক্তিতে রাজি নয় ইরান। তবে হরমুজ় প্রণালীর উপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদসংস্থা ‘তাসনিম’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, শান্তিচুক্তির প্রথম ধাপে যদি আমেরিকা বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি ফিরিয়ে না-দেয়, তা হলে চূড়ান্ত সমঝোতার পথে হাঁটবে না তেহরান। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার ‘বার বার অবস্থান বদল’ নিয়ে অসন্তুষ্ট ইরান। তাই ওই শর্ত মানা-না হলে তারা যে বোঝাপড়ায় আসবে না, তা পাকিস্তান এবং অন্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।
রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। শনিবার (স্থানীয় সময় অনুযায়ী) তিনি দাবি করেন, চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। শুধু ঘোষণার অপেক্ষা। ওই মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সমঝোতার দায়িত্বে থাকা মার্কিন প্রতিনিধিদলকে তাড়াহুড়ো না-করার নির্দেশ দিয়ে রাখলেন তিনি।