পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে প্রদত্ত আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৫) বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নগর ভবনের গ্রিন প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১ হাজার ২৩৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাঝে অনুদানের অর্থ তুলে দেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। রাসিকের ১২৩৭ জন পরিচ্ছন্নকর্মীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৬১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাসিক প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার প্রদানের মানবিক উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এটি পরিছন্নতাকর্মীদের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও তাদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি। এই ঈদ উপহার আমাদের পরিচ্ছনতাকর্মীদের ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং দায়িত্ব পালনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণ, কৃষি ঋণ মওকুফ, খাল পুনঃখনন, ঈমাম ও মোয়াজ্জিমদের সম্মানী ভাতা প্রদান সহ অনেক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দেন, তিনি তা বাস্তবায়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হয়ে আমরাও যে প্রতিশ্রুতি দিবো, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করবো।
রাসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১২ ঘন্টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী আমরা ৬ থেকে ৮ ঘন্টার মধ্যেই রাজশাহী মহানগরীর কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করতে চাই। ঈদের দিন আমি নিজে ৮ ঘন্টা মাঠে থেকে কার্যক্রম তদারকি করবো।
তিনি আরো বলেন, ঈদুল আযহা নির্বিঘ্নে উদযাপন, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো নগরবাসীর মাঝে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় লবণ প্রদান, যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা এবং ঈদে ঘরমুখো ট্রেনযাত্রীদের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে রাজশাহীকে আরো পরিচ্ছন্ন, সবুজ, সুন্দর, স্বাস্থ্যকর, আধুনিক ও তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। একাজে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি ও উচ্ছ্বসিত রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতাকর্মী সোনালী, ছাবেরা ও কহিনুর বেওয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। কতটা খুশি হয়েছি, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। টাকাগুলো দিয়ে পরিবারের জন্য ঈদের বাজার করা, ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনীর জন্য জামাকাপড় কিনতে পারবো।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুমন আলী বলেন, ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই উপহার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। এতে আমাদের পরিবারের ঈদের খুশি আরও বেড়ে গেল। আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী হাশেম আলী বলেন, আমি ১৫ বছর ধরে চাকুরী করছি। বিগত সময়ে আমরা কখনো এভাবে ঈদ উপহার পাইনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের গত ঈদুল ফিতরে এবং এবার ঈদ উপহারের যে অর্থ প্রদান করলেন, এতে সংসারের প্রয়োজন মেটাতে পারবো, বাচ্চাদের জন্য জামাকাপড় কিনতে পারবো। এ আনন্দের সীমা নেই।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এই সহায়তা শুধু অর্থ নয়, আমাদের কাজের স্বীকৃতি। আমরা চেষ্টা করি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে। এই সম্মান ও সহযোগিতা আমাদের আরো অনুপ্রাণিত করবে। আমাদের প্রশাসক মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা দ্রুত সময়ে কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন। অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের সচিব সোহেল রানা, এক্সিকিউটিভি ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, জয়নাল আবেদীন শিবলী, মুক্তার হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন রাসিকের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাসিকের অন্যান্য শাখার কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব, পরিচ্ছন্ন বিভাগের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২৫) বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নগর ভবনের গ্রিন প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১ হাজার ২৩৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাঝে অনুদানের অর্থ তুলে দেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। রাসিকের ১২৩৭ জন পরিচ্ছন্নকর্মীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৬১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাসিক প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার প্রদানের মানবিক উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এটি পরিছন্নতাকর্মীদের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও তাদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি। এই ঈদ উপহার আমাদের পরিচ্ছনতাকর্মীদের ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং দায়িত্ব পালনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণ, কৃষি ঋণ মওকুফ, খাল পুনঃখনন, ঈমাম ও মোয়াজ্জিমদের সম্মানী ভাতা প্রদান সহ অনেক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দেন, তিনি তা বাস্তবায়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হয়ে আমরাও যে প্রতিশ্রুতি দিবো, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করবো।
রাসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১২ ঘন্টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী আমরা ৬ থেকে ৮ ঘন্টার মধ্যেই রাজশাহী মহানগরীর কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করতে চাই। ঈদের দিন আমি নিজে ৮ ঘন্টা মাঠে থেকে কার্যক্রম তদারকি করবো।
তিনি আরো বলেন, ঈদুল আযহা নির্বিঘ্নে উদযাপন, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো নগরবাসীর মাঝে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় লবণ প্রদান, যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা এবং ঈদে ঘরমুখো ট্রেনযাত্রীদের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে রাজশাহীকে আরো পরিচ্ছন্ন, সবুজ, সুন্দর, স্বাস্থ্যকর, আধুনিক ও তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। একাজে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি ও উচ্ছ্বসিত রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতাকর্মী সোনালী, ছাবেরা ও কহিনুর বেওয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। কতটা খুশি হয়েছি, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। টাকাগুলো দিয়ে পরিবারের জন্য ঈদের বাজার করা, ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনীর জন্য জামাকাপড় কিনতে পারবো।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুমন আলী বলেন, ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই উপহার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। এতে আমাদের পরিবারের ঈদের খুশি আরও বেড়ে গেল। আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী হাশেম আলী বলেন, আমি ১৫ বছর ধরে চাকুরী করছি। বিগত সময়ে আমরা কখনো এভাবে ঈদ উপহার পাইনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের গত ঈদুল ফিতরে এবং এবার ঈদ উপহারের যে অর্থ প্রদান করলেন, এতে সংসারের প্রয়োজন মেটাতে পারবো, বাচ্চাদের জন্য জামাকাপড় কিনতে পারবো। এ আনন্দের সীমা নেই।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এই সহায়তা শুধু অর্থ নয়, আমাদের কাজের স্বীকৃতি। আমরা চেষ্টা করি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে। এই সম্মান ও সহযোগিতা আমাদের আরো অনুপ্রাণিত করবে। আমাদের প্রশাসক মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা দ্রুত সময়ে কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন। অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের সচিব সোহেল রানা, এক্সিকিউটিভি ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, জয়নাল আবেদীন শিবলী, মুক্তার হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন রাসিকের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাসিকের অন্যান্য শাখার কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব, পরিচ্ছন্ন বিভাগের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।