বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত দেশ নির্ধারণে শুধু সাক্ষরতার হার যথেষ্ট নয়; গুরুত্বপূর্ণ হলো কত শতাংশ মানুষ উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আন্তর্জাতিকভাবে এ মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয় শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান শ্রেণিবিন্যাস (ISCED) যা শিক্ষাকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করে দেশভিত্তিক তুলনার সুযোগ দেয়।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মৌলিক সাক্ষরতা ও ভিত্তি গড়ে তুললেও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা, অর্থাৎ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি প্রশিক্ষণ, উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পথ তৈরি করে। আর এই সূচকেই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কানাডা।
গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষায় বড় ধরনের সম্প্রসারণ ঘটেছে। UNESCO–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে বিশ্বে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ কোটি। ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ কোটি ৭০ লাখে।
বিশ্ব অর্থনীতি ক্রমেই দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠায় বিভিন্ন দেশ বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র সম্প্রসারণে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।
উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর হারের ভিত্তিতে দেশগুলোর অবস্থান মূল্যায়ন করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা। ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে তৃতীয় স্তরের শিক্ষা সম্পন্নের হারে বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে কানাডা যেখানে এ হার ৬৩ শতাংশ।
এর পরের অবস্থানগুলো হলো: জাপান- ৫৬ শতাংশ, আয়ারল্যান্ড - ৫৪ শতাংশ, সাউথ কোরিয়া - ৫৩ শতাংশ
এ ছাড়া শীর্ষ দশে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে এবংলুক্সেমবার্গ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কানাডার শক্তিশালী কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা এ সাফল্যের অন্যতম কারণ। অন্যদিকে জাপান ও সাউথ কোরিয়া দির্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশল হিসেবে উচ্চশিক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে।
বিভিন্ন দেশে তরুণদের মধ্যে উচ্চশিক্ষা সম্পন্নের হার প্রবীণদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। উদাহরণ হিসেবে সাউথ কোরিয়ায় ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের প্রায় ৭০ শতাংশ তৃতীয় স্তরের শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে কানাডা ও জাপান–এও।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দশকে এসব দেশের শিক্ষার হার আরও বাড়বে।
শিক্ষার জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্বএর মতে, উচ্চশিক্ষা কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়, আয় বৃদ্ধি করে এবং সামগ্রিক জীবনমান উন্নত করে। যেসব দেশে উচ্চশিক্ষিত মানুষের হার বেশি, সেসব দেশ সাধারণত প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও উৎপাদনশীলতায় এগিয়ে থাকে।
তবে বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার বিস্তার ঘটলেও উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে এখনো বড় বৈষম্য রয়ে গেছে। উন্নত দেশগুলোতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পন্নের হার অনেক বেশি হলেও বহু উন্নয়নশীল দেশে এখনো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকারের বিস্তার চলমান। কিছু অনুন্নত দেশে মৌলিক বিদ্যালয়শিক্ষাও সীমিত।
সার্বিক বিবেচনায়, তৃতীয় স্তরের শিক্ষা সম্পন্নের হারের বিচারে বর্তমানে কানাডা–কে বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত দেশ হিসেবে ধরা হয়।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মৌলিক সাক্ষরতা ও ভিত্তি গড়ে তুললেও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা, অর্থাৎ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি প্রশিক্ষণ, উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পথ তৈরি করে। আর এই সূচকেই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কানাডা।
গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষায় বড় ধরনের সম্প্রসারণ ঘটেছে। UNESCO–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে বিশ্বে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ কোটি। ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ কোটি ৭০ লাখে।
বিশ্ব অর্থনীতি ক্রমেই দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠায় বিভিন্ন দেশ বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র সম্প্রসারণে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।
উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর হারের ভিত্তিতে দেশগুলোর অবস্থান মূল্যায়ন করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা। ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে তৃতীয় স্তরের শিক্ষা সম্পন্নের হারে বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে কানাডা যেখানে এ হার ৬৩ শতাংশ।
এর পরের অবস্থানগুলো হলো: জাপান- ৫৬ শতাংশ, আয়ারল্যান্ড - ৫৪ শতাংশ, সাউথ কোরিয়া - ৫৩ শতাংশ
এ ছাড়া শীর্ষ দশে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে এবংলুক্সেমবার্গ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কানাডার শক্তিশালী কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা এ সাফল্যের অন্যতম কারণ। অন্যদিকে জাপান ও সাউথ কোরিয়া দির্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশল হিসেবে উচ্চশিক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে।
বিভিন্ন দেশে তরুণদের মধ্যে উচ্চশিক্ষা সম্পন্নের হার প্রবীণদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। উদাহরণ হিসেবে সাউথ কোরিয়ায় ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের প্রায় ৭০ শতাংশ তৃতীয় স্তরের শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে কানাডা ও জাপান–এও।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দশকে এসব দেশের শিক্ষার হার আরও বাড়বে।
শিক্ষার জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্বএর মতে, উচ্চশিক্ষা কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়, আয় বৃদ্ধি করে এবং সামগ্রিক জীবনমান উন্নত করে। যেসব দেশে উচ্চশিক্ষিত মানুষের হার বেশি, সেসব দেশ সাধারণত প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও উৎপাদনশীলতায় এগিয়ে থাকে।
তবে বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার বিস্তার ঘটলেও উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে এখনো বড় বৈষম্য রয়ে গেছে। উন্নত দেশগুলোতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পন্নের হার অনেক বেশি হলেও বহু উন্নয়নশীল দেশে এখনো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকারের বিস্তার চলমান। কিছু অনুন্নত দেশে মৌলিক বিদ্যালয়শিক্ষাও সীমিত।
সার্বিক বিবেচনায়, তৃতীয় স্তরের শিক্ষা সম্পন্নের হারের বিচারে বর্তমানে কানাডা–কে বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত দেশ হিসেবে ধরা হয়।