নাইজেরিয়ার নাসারাওয়া রাজ্যে শাশুড়ির সঙ্গে জামাইয়ের সম্পর্ক ও গর্ভধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ৪৫ বছর বয়সী কৃষক ও কাঠমিস্ত্রি জন উলাহা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তাঁর ৪২ বছর বয়সী শাশুড়ি আশেতু ইগবাসুয়েকে গর্ভবতী করেছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাজুড়ে সমালোচনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে আশেতু ফসল কাটার কাজে জন উলাহার এলাকায় আসেন। সেই সময় থেকেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। পরে বিষয়টি শারীরিক সম্পর্কে গড়ায় বলে অভিযোগ ওঠে। আশেতু এক সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথমে ঘটনাটি মজার ছলে শুরু হলেও পরে তা নিয়মিত সম্পর্কে রূপ নেয়। তিনি দাবি করেন, দিনের কাজ শেষে রাতে তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হতো এবং প্রায় তিন মাস পর তিনি গর্ভবতী হন।
আশেতুর ভাষ্য, তাঁর ধারণা ছিল না যে এই বয়সে তিনি আবার গর্ভধারণ করতে পারেন। পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়লে তিনি নিজেই বিষয়টি তাঁর মেয়ে ও জন উলাহার স্ত্রী ভিক্টোরিয়াকে জানান। তবে বিষয়টি জানার পর ভিক্টোরিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ঘটনাটি প্রকাশ্যে চলে আসে।
আশেতু জানান, তিনি এ ঘটনায় অনুতপ্ত এবং মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে জন উলাহার দাবি, তাঁকে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, খামারে কাজ করার সময় শাশুড়ির আচরণ তাঁকে প্ররোচিত করে এবং পরে দু’জনের সম্মতিতেই সম্পর্ক চলতে থাকে।
এ ঘটনায় ভিক্টোরিয়া গভীর মানসিক আঘাত পেয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, স্বামীর এই আচরণ পারিবারিক সম্পর্কের সীমা লঙ্ঘন করেছে এবং এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত না নিয়ে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি স্থানীয় সমাজে নৈতিকতা, পারিবারিক দায়িত্ব ও সম্পর্কের সীমা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। পরিবারের ভেতরের এই সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে গভীর সংকট সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে আশেতু ফসল কাটার কাজে জন উলাহার এলাকায় আসেন। সেই সময় থেকেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। পরে বিষয়টি শারীরিক সম্পর্কে গড়ায় বলে অভিযোগ ওঠে। আশেতু এক সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথমে ঘটনাটি মজার ছলে শুরু হলেও পরে তা নিয়মিত সম্পর্কে রূপ নেয়। তিনি দাবি করেন, দিনের কাজ শেষে রাতে তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হতো এবং প্রায় তিন মাস পর তিনি গর্ভবতী হন।
আশেতুর ভাষ্য, তাঁর ধারণা ছিল না যে এই বয়সে তিনি আবার গর্ভধারণ করতে পারেন। পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়লে তিনি নিজেই বিষয়টি তাঁর মেয়ে ও জন উলাহার স্ত্রী ভিক্টোরিয়াকে জানান। তবে বিষয়টি জানার পর ভিক্টোরিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ঘটনাটি প্রকাশ্যে চলে আসে।
আশেতু জানান, তিনি এ ঘটনায় অনুতপ্ত এবং মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে জন উলাহার দাবি, তাঁকে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, খামারে কাজ করার সময় শাশুড়ির আচরণ তাঁকে প্ররোচিত করে এবং পরে দু’জনের সম্মতিতেই সম্পর্ক চলতে থাকে।
এ ঘটনায় ভিক্টোরিয়া গভীর মানসিক আঘাত পেয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, স্বামীর এই আচরণ পারিবারিক সম্পর্কের সীমা লঙ্ঘন করেছে এবং এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত না নিয়ে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি স্থানীয় সমাজে নৈতিকতা, পারিবারিক দায়িত্ব ও সম্পর্কের সীমা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। পরিবারের ভেতরের এই সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে গভীর সংকট সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।