যে বয়সে হাসি-খুশিতে মাতিয়ে রাখার কথা পুরো পরিবারকে, সেই বয়সেই মৃত্যুর সাথে নির্মম লড়াই করছে ১৩ মাসের ছোট্ট শিশু অর্পিতা। ফুটফুটে এই শিশুটির হৃদপিণ্ডে ধরা পড়েছে মারাত্মক ছিদ্র (হার্টে হোল), একই সঙ্গে তার খাদ্যনালীও ব্লক হয়ে আছে। জরুরি চিকিৎসা ও অপারেশন ছাড়া তাকে বাঁচানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অর্থাভাবে থমকে গেছে চিকিৎসা, আর অসহায় চোখে সন্তানের জীবন বাঁচানোর আকুতি জানাচ্ছেন দরিদ্র বাবা-মা।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া গ্রামের হতদরিদ্র বিষ্ট রঞ্জন সাহার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিল অর্পিতা। জন্মের কিছুদিন পর থেকেই অসুস্থ হতে থাকে শিশুটি। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে তার হৃদপিণ্ডে ছিদ্র রয়েছে এবং খাদ্যনালী ব্লক হয়ে আছে। বর্তমানে শিশুটিকে বাঁচাতে দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।
কিন্তু দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ বিষ্ট রঞ্জন সাহার পক্ষে এই বিপুল পরিমাণ টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংসার চালাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ৫ লক্ষ টাকা যেন তাদের কাছে আকাশসমান বোঝা।
চোখের পানি ধরে রাখতে না পেরে অর্পিতার বাবা বিষ্ট রঞ্জন সাহা বলেন,ভগবান আমাকে একটা ফুটফুটে মেয়ে দিয়েছে, কিন্তু তার কপালে এত কষ্ট লিখে রাখবে কখনো ভাবিনি। ডাক্তার বলেছে অপারেশন করাতে পারলে আমার মা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু আমি গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। এত টাকা আমি কোথায় পাব? প্রতিদিন মেয়েটাকে কষ্টে ছটফট করতে দেখি আর বুকটা ফেটে যায়। সমাজের দয়ালু মানুষদের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি, আপনারা একটু সাহায্য করুন। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই আমার মেয়ের নতুন জীবন হতে পারে।
এদিকে অর্পিতার অসহায় অবস্থার কথা শুনে মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। এক জনপ্রতিনিধি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন আজ টাকার অভাবে ঝুঁকির মুখে। সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসী ভাইবোনদের কাছে আমার অনুরোধ, সবাই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ান। একটি শিশুর মুখের হাসি ফিরিয়ে দেওয়া সবচেয়ে বড় মানবিক কাজ। অর্পিতা যেন চিকিৎসার অভাবে হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মানুষের ছোট ছোট সহযোগিতাই আজ একটি পরিবারের বাঁচার শেষ আশার আলো। আমি বিশ্বাস করি, মানবিক মানুষদের সহায়তায় অর্পিতা আবার সুস্থ হয়ে সবার মাঝে হাসবে।
অর্পিতার প্রতিবেশী ও সচেতন নাগরিক সাগর বলেন, ৫ লক্ষ টাকা একজন দিনমজুর বাবার কাছে অসম্ভব হলেও সমাজের মানুষ যদি সামান্য করে সাহায্য করেন, তাহলে এই টাকাটা জোগাড় করা সম্ভব। আমরা সবাই যদি মানবিক হই, তাহলে একটি নিষ্পাপ প্রাণকে বাঁচানো যাবে।
বর্তমানে অর্পিতার পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন, প্রবাসী ভাইবোন ও দেশের সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছে। সবার সামান্য অনুদানই হতে পারে ছোট্ট অর্পিতার বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশ নম্বর: ০১৩২৮-৪২৪৭৮৫
নাম: অর্পিতা (পিতা—বিষ্ট রঞ্জন সাহা)
গ্রাম: বান্দাইখাড়া
ডাকঘর: বান্দাইখাড়া
উপজেলা: আত্রাই
জেলা: নওগাঁ
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া গ্রামের হতদরিদ্র বিষ্ট রঞ্জন সাহার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিল অর্পিতা। জন্মের কিছুদিন পর থেকেই অসুস্থ হতে থাকে শিশুটি। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে তার হৃদপিণ্ডে ছিদ্র রয়েছে এবং খাদ্যনালী ব্লক হয়ে আছে। বর্তমানে শিশুটিকে বাঁচাতে দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।
কিন্তু দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ বিষ্ট রঞ্জন সাহার পক্ষে এই বিপুল পরিমাণ টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংসার চালাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ৫ লক্ষ টাকা যেন তাদের কাছে আকাশসমান বোঝা।
চোখের পানি ধরে রাখতে না পেরে অর্পিতার বাবা বিষ্ট রঞ্জন সাহা বলেন,ভগবান আমাকে একটা ফুটফুটে মেয়ে দিয়েছে, কিন্তু তার কপালে এত কষ্ট লিখে রাখবে কখনো ভাবিনি। ডাক্তার বলেছে অপারেশন করাতে পারলে আমার মা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু আমি গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। এত টাকা আমি কোথায় পাব? প্রতিদিন মেয়েটাকে কষ্টে ছটফট করতে দেখি আর বুকটা ফেটে যায়। সমাজের দয়ালু মানুষদের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি, আপনারা একটু সাহায্য করুন। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই আমার মেয়ের নতুন জীবন হতে পারে।
এদিকে অর্পিতার অসহায় অবস্থার কথা শুনে মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। এক জনপ্রতিনিধি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন আজ টাকার অভাবে ঝুঁকির মুখে। সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসী ভাইবোনদের কাছে আমার অনুরোধ, সবাই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ান। একটি শিশুর মুখের হাসি ফিরিয়ে দেওয়া সবচেয়ে বড় মানবিক কাজ। অর্পিতা যেন চিকিৎসার অভাবে হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মানুষের ছোট ছোট সহযোগিতাই আজ একটি পরিবারের বাঁচার শেষ আশার আলো। আমি বিশ্বাস করি, মানবিক মানুষদের সহায়তায় অর্পিতা আবার সুস্থ হয়ে সবার মাঝে হাসবে।
অর্পিতার প্রতিবেশী ও সচেতন নাগরিক সাগর বলেন, ৫ লক্ষ টাকা একজন দিনমজুর বাবার কাছে অসম্ভব হলেও সমাজের মানুষ যদি সামান্য করে সাহায্য করেন, তাহলে এই টাকাটা জোগাড় করা সম্ভব। আমরা সবাই যদি মানবিক হই, তাহলে একটি নিষ্পাপ প্রাণকে বাঁচানো যাবে।
বর্তমানে অর্পিতার পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন, প্রবাসী ভাইবোন ও দেশের সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছে। সবার সামান্য অনুদানই হতে পারে ছোট্ট অর্পিতার বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশ নম্বর: ০১৩২৮-৪২৪৭৮৫
নাম: অর্পিতা (পিতা—বিষ্ট রঞ্জন সাহা)
গ্রাম: বান্দাইখাড়া
ডাকঘর: বান্দাইখাড়া
উপজেলা: আত্রাই
জেলা: নওগাঁ