রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা ১৪৪৭ হিজরি উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদ উদযাপন উপলক্ষে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও জনসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগ।
ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পাশাপাশি সরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ সজ্জিত করা হবে।
সকাল সাড়ে ৭টায় মহানগরীর হযরত শাহ মখদুম (র.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেখানে জামাত আয়োজন সম্ভব না হলে সকাল ৮টায় হযরত শাহ মখদুম (র.) দরগাহ জামে মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মহানগরীর অন্যান্য ঈদগাহ ও মসজিদে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদগাহ ও জামাতস্থলগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুপল্লী, শিশুসদন, ছোট মণিনিবাস, শিশুবিকাশ কেন্দ্র, সেফ হোমসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। পরিবেশ দূষণ রোধে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির বর্জ্য ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পাশাপাশি সরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ সজ্জিত করা হবে।
সকাল সাড়ে ৭টায় মহানগরীর হযরত শাহ মখদুম (র.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেখানে জামাত আয়োজন সম্ভব না হলে সকাল ৮টায় হযরত শাহ মখদুম (র.) দরগাহ জামে মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মহানগরীর অন্যান্য ঈদগাহ ও মসজিদে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদগাহ ও জামাতস্থলগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুপল্লী, শিশুসদন, ছোট মণিনিবাস, শিশুবিকাশ কেন্দ্র, সেফ হোমসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। পরিবেশ দূষণ রোধে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির বর্জ্য ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।