আলিয়া ভট্ট হোক, কিংবা করিনা কপূর, দু’জনেই কর্ণ জোহরের খুব কাছের। যদিও আলিয়ার প্রতি নিজের স্নেহের কথা বার বার প্রকাশ্যে কবুল করেছেন। এ বার সেই আলিয়া ও করিনাদের নিয়ে ভিন্ন মত কর্ণের। পরিচালক-প্রযোজকের বিরুদ্ধে তাঁর ঘনিষ্ঠ বলি অভিনেত্রীদের নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে বরাবর। এ বার তাঁদের প্রসঙ্গে কর্ণের কণ্ঠে উল্টো সুর। তিনি বলেন, ‘‘এখন আর কেউ আলিয়া কিংবা করিনাদের মতো হতে চান না।’’
একটা সময় ছিল যখন বলিউড তথা হিন্দি সিনেমার গভীর প্রভাব ছিল দর্শকদের মধ্যে। পোশাক থেকে তারকাদের চুলের ছাঁট, লিপস্টিকের রং, সব কিছু হুবহু নকল করতেন অনুরাগীরা। সেই মতো ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি চালিত হত। মাধুরীর চুড়িদার হোক কিংবা ‘তেরে নাম’ ছবিতে সলমন খানের চুলের ছাঁট, সবই নতুন ধারা তৈরি করেছিল। যদিও সে সব অতীত। সেই চাহিদা এখন কমেছে বলেই মনে করেন কর্ণ। পর্দায় দেখা তারকাদের মতো কেউ আর হতে চান না। তাঁরা যা পোশাক পরছেন যেমন সাজগোজ করছেন সেটার অনুকরণ করতে চান না। কারণ সকলেই চান নিজস্বতা।
কর্ণের কথায়, ‘‘এখন সেই যুগ চলে গিয়েছে যখন দর্শক তারকাদের নকল করবেন। এখনকার মানসিকতা হচ্ছে নিজস্বতা। কেউ আর করিনা কিংবা দীপিকা বা আলিয়া নয়, বরং নিজের মতো করে সাজগোজ করতে চান। লোকে পয়সা দেয় নিজস্বতার জন্য।’’ কর্ণ আসলে স্বীকার করে নেন, বর্তমান সময়ে নায়ক-নায়িকাদের মতো দেখতে হোক চান না। বরং সকলেই চান নিজেদের স্বাতন্ত্র বজায় রাখতে।
একটা সময় ছিল যখন বলিউড তথা হিন্দি সিনেমার গভীর প্রভাব ছিল দর্শকদের মধ্যে। পোশাক থেকে তারকাদের চুলের ছাঁট, লিপস্টিকের রং, সব কিছু হুবহু নকল করতেন অনুরাগীরা। সেই মতো ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি চালিত হত। মাধুরীর চুড়িদার হোক কিংবা ‘তেরে নাম’ ছবিতে সলমন খানের চুলের ছাঁট, সবই নতুন ধারা তৈরি করেছিল। যদিও সে সব অতীত। সেই চাহিদা এখন কমেছে বলেই মনে করেন কর্ণ। পর্দায় দেখা তারকাদের মতো কেউ আর হতে চান না। তাঁরা যা পোশাক পরছেন যেমন সাজগোজ করছেন সেটার অনুকরণ করতে চান না। কারণ সকলেই চান নিজস্বতা।
কর্ণের কথায়, ‘‘এখন সেই যুগ চলে গিয়েছে যখন দর্শক তারকাদের নকল করবেন। এখনকার মানসিকতা হচ্ছে নিজস্বতা। কেউ আর করিনা কিংবা দীপিকা বা আলিয়া নয়, বরং নিজের মতো করে সাজগোজ করতে চান। লোকে পয়সা দেয় নিজস্বতার জন্য।’’ কর্ণ আসলে স্বীকার করে নেন, বর্তমান সময়ে নায়ক-নায়িকাদের মতো দেখতে হোক চান না। বরং সকলেই চান নিজেদের স্বাতন্ত্র বজায় রাখতে।