পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তৃতীয় দিনেও রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ধারাবাহিকভাবে তানোর উপজেলাতেও একই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. কাওছার হাবীব, মোঃ আল আমীন মল্লিক এবং মো. আলেফ আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা) বলেন, ঈদুল আযহা ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সমাজের গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে আনন্দের হাসি ফোটাতে পারলেই ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। এ কারণে রাজশাহী জেলা পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালে দারিদ্র্য ও বৈষম্য অনেকাংশে কমে আসবে। একটি মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ঈদ শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার উপলক্ষ। রাজশাহী জেলা পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এই ঈদ উপহারের মাধ্যমে অসহায় মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের বার্তা পৌঁছে দিতে চায় জেলা পরিষদ।
আলোচনা সভা শেষে গরিব, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সেমাই, চিনি, তেল, দুধ ও পোলাওয়ের চালসহ বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
শনিবার (২৩ মে) রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ধারাবাহিকভাবে তানোর উপজেলাতেও একই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. কাওছার হাবীব, মোঃ আল আমীন মল্লিক এবং মো. আলেফ আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা) বলেন, ঈদুল আযহা ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সমাজের গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে আনন্দের হাসি ফোটাতে পারলেই ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। এ কারণে রাজশাহী জেলা পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালে দারিদ্র্য ও বৈষম্য অনেকাংশে কমে আসবে। একটি মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ঈদ শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার উপলক্ষ। রাজশাহী জেলা পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এই ঈদ উপহারের মাধ্যমে অসহায় মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের বার্তা পৌঁছে দিতে চায় জেলা পরিষদ।
আলোচনা সভা শেষে গরিব, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সেমাই, চিনি, তেল, দুধ ও পোলাওয়ের চালসহ বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।